সম্পাদকীয়

জ্যোতি সিং বা তথাকথিত ‘নির্ভয়া’র সঙ্গে ঘটা অপরাধ দেশকে হতচকিত করার পর কেটে গেছে প্রায় এক দশক। ধর্ষণ সংস্কৃতিতে ধর্ষণ অনেকদিনই আর বেশি শোরগোল ফেলে না৷ ধর্ষণকালীন নির্যাতনের যে নৃশংসতা জ্যোতির ঘটনার ক্ষেত্রে দেশকে বিহ্বল করেছিল, এই দশ বছরে সেই নৃশংসতাও যে গা-সওয়া হয়ে গেছে, তা বোঝা যায় যখন সেপ্টেম্বর সংখ্যা বেরোনোর প্রাক্কালে মুম্বাইয়ে কাউকে ধর্ষণ করা হয়, আর তারপর যোনিতে একই উপায়ে ঢোকানো হয় লৌহদণ্ড। এ ঘটনায় অপরাধী সংখ্যাগুরু হওয়ায়, বা বিশেষ কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি না হওয়ায়, সরকারপক্ষ বা বিরোধীপক্ষ কারওরই বিশেষ ভ্রূক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। অথচ লিঙ্গগত প্রান্তিক ভাবছে, শিউরে উঠছে ভেবে যে, লোহার রড, স্টোন চিপস, কাচের টুকরোর পর আগামীতে আর কী কী তার জন্য অপেক্ষা করছে? হয়ত নিজেকে অত্যাচারিতর স্থানে কল্পনা করে চমকে উঠছে সে। বিনিদ্র রজনী যাপন করছে, যেভাবে ঘুম ছুটে গিয়েছিল দলিত কবি সুকীর্থারানির, যখন খয়রলাঞ্জিতে আরেক দলিত কন্যা প্রিয়াঙ্কাকে নগ্ন করে ঘুরিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল। সুকীর্থারানির যন্ত্রণা ফুটেছিল তাঁর কবিতায়। তাই তা বাদ গেছে দিল্লি ইউনিভার্সিটির সিলেবাস থেকে। আরও বাদ গেছে বামা-র আত্মজীবনীমূলক লেখা, কারণ তাঁর লেখাই তাঁর রাজনীতি, তাঁর শ্রেণি-বর্ণ-লিঙ্গগত প্রান্তিকতার স্বর।                                                                                                                                                  আরও পড়ুন

গত ৭ সেপ্টেম্বর মেক্সিকো-র সুপ্রিম কোর্ট, গর্ভপাতের জন্য শাস্তি প্রদানকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করে। সে দেশে, বিশেষত রক্ষণশীল রাজ্যগুলিতে গর্ভপাত করানোর জন্য নিয়মিত মহিলাদের শাস্তির মুখে পড়তে হত, এমনকি দুর্ঘটনাজনিত কারণে গর্ভপাত ঘটলেও মিলত না অব্যাহতি। দীর্ঘদিনের নারী আন্দোলনের চাপে অবশেষে আদালত মহিলাদের নিজের শরীরের ওপর অধিকার রক্ষার পক্ষে দাঁড়াতে বাধ্য হয়।

‘পৌরুষের ইতিহাস লেখা হয় খইরলঞ্জীর রক্তে’

তবু সুরেখা দেবীরা থেকে যান প্রতিরোধ হয়ে। উনার মেয়েদের মিছিলে। বাস্তারের আদিবাসী মেয়েদের যুদ্ধে। ভাওরি দেবীর প্রতিস্পর্ধায়। রাধিকা ভেমুলার নাছোড় লড়াইয়ে। ঠাকুর্মণি মুর্মু, মাকদম হিড়মের সংগ্রামে। তাই খইরলঞ্জীকে আমাদের স্মৃতি থেকে, ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে দিলেও খইরলঞ্জীর ভুত তাড়া করে বেড়ায় রাষ্ট্রকে দোপদি মেঝেন হয়ে। সেনানায়কের চোখে চোখ রেখে নগ্ন করে দেয় এই সমাজ ব্যবস্থাকে, এই ব্রাহ্মণ্যবাদী রাষ্ট্র কাঠামোকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, পঞ্চাশের মন্বন্তর ও কমিউনিস্ট মেয়েরা (প্রথম কিস্তি) – অর্কদীপ

প্রথমদিকে তারা বস্তি এলাকাগুলিতে রেশন দোকান খোলার দাবীতে বিভিন্ন জায়গায় ডেপুটেশন দেওয়া শুরু করেন, তাতে আশানুরূপ ফল না পেলেও বস্তি এলাকাগুলিতে তাঁদের কাজের পরিসর এবং সদস্যসংখ্যা বাড়তে থাকে। অবশেষে ২৪শে জানুয়ারি ১৯৪৩, পার্ক সার্কাস, এন্টালিসহ বিভিন্ন এলাকার বস্তির মহিলারা কলকাতার টাউন হলে জমায়েত করেন খাদ্যের দাবীতে। 

The Miracle Mop and its Mechanical Appeal to the Female Mob – Aatika Singh

In the art world, the genre of Mop painting is increasingly becoming famous yet on ethical and political, and gendered questions there is an absolute lack of critical engagement today. An exhibition titled ‘Mopping Up’ by Melissa Dorn in Algoma was held in 2018 with a tie-up with local mop manufacturers yet no talk came out of it that spoke of the mop’s body as a gendered site. 

গানের এক জীবন: উডি গাথরী ও তার সময় (প্রথম পর্ব) – পৃথা চট্টোপাধ্যায়

উডি যতই বলুন না কেন তিনি ঘটনাচক্রে ডাস্ট বোওলের মধ্যে পড়ে নেহাত ছোট একখানা গান লেখার কথা ভেবেছিলেন, আসলে গানের মধ্যে দিয়ে তিনি ডাস্ট বোওল রিফিউজিদের যে জীবন্ত ছবি এঁকেছেন তা শৈল্পিক, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক মূল্যে জন স্টেইনবেক-এর নভেল ‘দ্য গ্রেপস অব রথ’ (১৯৩৯), ডরোথি ল্যাঙ্-এর আলোকচিত্রের সিরিজ এবং চিত্রশিল্পী আলেকজান্ডার হোর ছবির সঙ্গে তুলনীয় এবং সম্ভবত এই সমস্ত কিছুর থেকে বেশি জনপ্রিয়।

আত্ম(বি)নির্মাণের লড়াই – অঙ্গনা

তাত্ত্বিক বিচারে অ–দ্বিকোটিক লিঙ্গ/যৌনপরিচয় ব্যবস্থার প্রেক্ষিত থেকে দেখলে আমরা পাই লিঙ্গ/যৌনপরিচয়ের একটি বর্ণালি। এই ব্যবস্থা মেনে নিলে এক ব্যক্তির মধ্যেই তথাকথিত ‘নারী’সুলভ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে একই সাথে তথাকথিত ‘পুরুষ’সুলভ বৈশিষ্ট্য উপস্থিত থাকা যে সম্ভব, সেই বাস্তবতা সামাজিক পরিসরেও স্বীকৃত হতে পারে। লিঙ্গ/যৌনপরিচয় বিষয়ে এই দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করলে সমাজ মানসে ঔদার্য, সহনশীলতা, সমমর্মিতা অর্জন করা সহজতর হয়। 

অনলাইন ক্লাস, বৈষম্য ও মেয়েদের শিক্ষা – অঙ্কিতা আলি

সম্প্রতি, ২০২১ সালের এক বিদ্যালয় সমীক্ষায় জানা গেছে যে, গ্রামাঞ্চলে মাত্র ৮% শিশু এই অনলাইন পরিষেবা পাচ্ছে, ৩৭% শিশুর পরিবার অনলাইন পড়াশোনার প্রয়োজনীয় যন্ত্র (অর্থাৎ অন্ততপক্ষে স্মার্টফোন) কিনতে অক্ষম এবং বাকি ৫৫% শিশু এখনো শিক্ষালাভের প্রাথমিক গণ্ডি অতিক্রম না করায় প্রায় অক্ষরজ্ঞানহীন।

সুন্দরবন ও নারী জন্ম – ঊর্মিমালা রায়

সুন্দরবনের আনাচে কানাচে অত্যন্ত সচেতনভাবে কান পাতলে একটা মৃদু গুঞ্জন শোনা যায় অন্দরমহল থেকে৷ একটা চাপা কলরব ওঠে দুপুর রোদের চাষের ক্ষেতের থেকে৷ সূর্য ওঠার আগে গুনগুন করে নারী কন্ঠরা৷ ভোরের গাড়ি ধরে শহরে কাঁকড়া বেচতে যাওয়ার হুড়োহুড়ির শব্দের থেকে আলাদা সে গুনগুন৷ এই সমস্ত চাপা কলরব, কন্ঠস্বর বজ্রনিনাদ হয়ে ফেটে পড়ে সংগঠিত হওয়ার ডাক দিলে৷ 

অন্দর থেকে প্রদর্শনীর বিশ্বে প্রথম ভারতীয় নারী – সুস্মিতা ঘোষ

ভারতের প্রথম আধুনিক মহিলা চিত্রশিল্পী হিসেবে সুনয়নী দেবীর মূল্যায়ন অবশ্যই নারীবাদী প্রকল্প। যতটা প্রচারের তিনি যোগ্য তা তিনি পাননি। দু-তিনটে প্রদর্শনী ছাড়া তাঁর জীবন মোটের উপর অন্তঃপুরেই কেটেছে। যদিও তাঁর ছবিতে পেশাদারিত্বের ছাপ রয়েছে কিন্তু তাঁর কাছে ছবি আঁকা ছিল অপ্রধান বৃত্তি। গৃহকাজ ও পেশাদার শিল্পীর দাবীর মধ্যে সামঞ্জস্য আনা ছিল শক্ত। তৎকালীন পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মহিলাদের স্বাধীন পেশা গ্রহণ সহজ ছিল না।

বস্তার-রিয়ালিজম বা জাদু বাস্তারবাদ – প্রবুদ্ধ ঘোষ

দোদি মারা গেছে। অথবা, মারা যাচ্ছে। যেতেই পারে। কী নাকি বিষ ঢুকে গেছিল লৌ-তে। তাইই বা আশ্চর্য কী! ছোটলোকেদের অমন হয়। কোন বনেবাদাড়ে ঘোরে। ইঁদুর মাকড় খায়। ওদের অভ্যাস থাকে ওসব। ছোট থেকেই সয়ে যায়। কখনও বিষ বেশি ঢুকে গেলে দাস্ত হয়, চোখ উল্টে যায়। তখন কাঁধে ক’রে বা সাইকেলে চাপিয়ে সদরে ছোটে। কেউ বাঁচে। মরে যায় কেউ। আবার পয়দা হয়। এসব চলতেই থাকে ওদের। ধুস্‌, এসবে পাত্তা দিলে সূর্য উঠত না, চাঁদের কমা-বাড়া থেমে যেত। 

পুণ্য -অমৃতা সরকার

বৃষ্টি থামলে আষাঢ় মাসের ভাপ টের পাওয়া যায়। কাঁঠালের রোঁয়া আলগা হয়ে আসে ভিতর ভিতর, এই ভাপে। গতরের মাংস হাড্ডি ছাড়তে চায়। ফুলরানি চারদিকে নজর চালিয়ে, গায়ের কাপড় আলগা করে দেয়। দামড়া পাট ক্ষেত ছাড়া তার দিকে নজর দেওয়ার কেউ নেই এখানে। বেফিকর হয়ে পোতির মাথার পেঁয়াজের রস ঘষতে থাকে। এক টাকা সাইজের গোল চকচকা চামড়া খোঁচখোঁচ শুয়োরের লোমের মত চুলের ভিতর থেকে উঁকি দেয়। চামড়ায় জ্বালাপোড়া শুরু হলে মাথা ডান বাঁ করে ঝুমড়ি।

কলকাতায় ২০১৪ – চূর্ণী ভৌমিক

তাদের চোখ চাঁদের মত সাদা ও গোল, মাঝে মণির বদলে কলঙ্কের অন্ধ ছোপ-ছোপ। কিংবা ধূসর পাতলা ফিনফিনে সব মাকড়সা চোখের মধ্যে বাসা বেঁধেছে। মাথার কেশরগুলি মাকড়শার জালের মতন। একটা নির্বিষ সাপ, আয়তনে একটা বড়রাস্তার মত। গায়ে চাকা-চাকা গাড়িমার্কা ছোপ। তাকে আস্তে আস্তে পেঁচিয়ে ধরছে। জড়িয়ে ধরছে বলা ঠিক। প্রেমিকের সঙ্গমের মত ধীরে যত্নে একটু একটু করে পা থেকে মাথার দিকে এগোচ্ছে, ক্যান্সারের মত একটু একটু করে শীত ছড়িয়ে দিচ্ছে এক প্রত্যঙ্গ থেকে অন্য প্রত্যঙ্গে।

চতুর্থ তোরণ (প্রথম কিস্তি)– মণিদীপা সিংহ

সহজের কাছাকাছি কিছু হৃদয় ঘুমোয়,

তারা জানে প্রতিটি দূরত্বে সূর্য আঁকা থাকে,

আর সময় ফিরে যায়, সময় এগিয়ে আসে,

কিছুটা স্রোতের মত, সমস্ত অনন্তময়।

এ এক নতুন গণতন্ত্রের যুদ্ধ – স্বপ্না

ভাঙা টিনের চাল-

দুনিয়ার সব ঘর সব খাবার

কাদের তৈরি করা-

তবু খোলা আকাশের নিচে না খেয়ে মরে কারা।

পিতৃতন্ত্র, সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে আফগান নারীর সংগ্রাম – কুর্দি নারীদের সঙ্গে রাওয়া-র সদস্যদের আলোচনা, অনুবাদ – শতাব্দী দাশ
‘আফগানিস্তানে নারীরা কয়েক দশক ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত। দেশ-দখলের খেলায় তারা আক্রান্ত। এদিকে আফগান নারীদের দুর্দশাকে প্রায়শই সাম্রাজ্যবাদী শক্তি, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, এই অঞ্চলে তাদের যুদ্ধ নীতিকে ন্যায্যতা ও বৈধতা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করেছে। যাইহোক, দেখা যাচ্ছে, নারীরা অনৈতিক সাম্রাজ্যবাদী এবং মৌলবাদী উভয় শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে রয়েছে।’

এক দাস মেয়ের জীবন (তৃতীয় কিস্তি) – সানন্দা দাসগুপ্ত

দক্ষিণে, ক্রীতদাস নিয়োগের দিন হল ১ জানুয়ারি। ২ জানুয়ারিতে দাসদের তাদের নতুন মালিকের কাছে চলে যেতে হয়। ভুট্টা আর তুলো যতদিন না কাটা হচ্ছে তারা খামারে কাজ করে। তারপর দুদিন ছুটি পায়। কোনও কোনও মালিক তাদের গাছের তলায় বসিয়ে ভালমন্দ খাওয়ায়। এরপর থেকে ক্রিসমাস-এর আগের দিন পর্যন্ত আবার তারা খাটে। ।

পুঁজিবাদের বিশ্লেষণ, বিপ্লবের সংজ্ঞা: দলিত, নারী ও ক্ষেত মজুর – শাশ্বত গাঙ্গুলী
নারীবাদী ও দলিত আন্দোলন কর্মী ও তাত্ত্বিক গেইল ওমভেড-এর “Analysing Capitalism, Defining Revolution – Dalits, Women and Peasants” শীর্ষক প্রবন্ধের অনুবাদ। মূল লেখাটি ১৯৮৮ সালে Economics & Political Weekly পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

ছুটি-রুটি (পর্ব ৪) – শাশ্বত গাঙ্গুলী

এত কাছ থেকে গোলাপসুন্দরীর গায়ে কি বোঁটকা গন্ধ! কিন্তু কিছু বললে অভদ্রতা হয় কিনা কে জানে, তাই ছুটি নাক চেপে কিছু বলল না। “চল চল চল” রুটি এবার তাড়া দিয়ে বলল, “দিদিমা বলেছে একটা গুলিতে তিন ঘন্টা অবধি ছোট থাকবি তুই। তারমধ্যে গিয়ে আবার ফিরত আসতে হবে। চল চল চল”।

খরগোশ, ইঁদুর আর ব্যাঙের ছাতার জাদুকর – স্নেহা বিশ্বাস

বিট্রিক্স চেয়েছিলেন এই বইটি বাচ্চাদের সুবিধের জন্য আকারে ছোট, এবং নামমাত্র মূল্যের হোক। তিনি প্রতিটি পৃষ্ঠাতেই একটি কালো-সাদা ছবি সহ লেখা রাখেন, যাতে সব থেকে ছোট বাচ্চাটিরও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন। ১৯০১ সালে প্রকাশের সাথে সাথেই বইটির ২৫০ কপি বিক্রি হয়ে যায়, এবং ১৯০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরও ২০০ কপি ছাপাতে হয়। 

আমার চোখে প্রীতিলতা – রূপকথা

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বাংলার প্রথম মহিলা স্বাধীনতা সংগ্রামী, যিনি দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন। মানুষকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন ‘মেয়েরাও নিজের দেশের জন্য লড়তে ও মরতে পারে, যেমন পারে পুরুষজাতি’। 

তাঁর জন্ম হয়েছিল ৫ই মে, ১৯১১ সালে, চট্টগ্রামে। জগবন্ধু ওয়াদ্দেদার আর প্রতিভা দেবীর সংসার ছিল আড়ম্বরশূন্য এবং স্বদেশপ্রেমী। তার ছাপ পড়েছিল প্রীতিলতার মনেও। ছোটবেলা থেকেই তাঁর পড়াশোনার নেশা ছিল। দাদার পড়া হয়ে গেলেই বই নিয়ে ছুট্টে চলে যেতেন দাদার মাস্টারের কাছে। উৎসাহী ছাত্রীকে পড়াতে আপত্তি করতেন না মাস্টারমশাই। তবে লুকিয়ে চুরিয়ে বেশি দিন পড়তে হলো না তাঁকে। সাত বছর বয়সে মায়ের এবং তাঁর প্রবল আকাঙ্ক্ষায় তিনি স্কুলে ভর্তি হলেন।

শেয়ার করুন