সানন্দা দাসগুপ্ত

পছন্দ লখনউ-এর গলৌটি কাবাব, ঘৃণা হিন্দু মৌলবাদ। পিতৃতান্ত্রিক কম্যুনিস্ট আর নয়া উদারনৈতিক নারীবাদী দুইই সমান না পসন্দ। পাহাড়ে চড়তে গিয়ে ছড়িয়ে লাট করলেও যেতেই হবে বারবার।

দাস মেয়ের জীবন, চতুর্থ কিস্তি

সানন্দা দাসগুপ্ত আমেরিকার স্লেভ ন্যারেটিভ-এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হ্যারিয়েট জেকব-এর  আত্মজীবনী Incidents in the Life of a Slave Girl । হ্যারিয়েট জেকব-এর জন্ম দাস পরিবারে। পরবর্তীতে মালিক পরিবারের কবল থেকে পালিয়ে নিজের ও নিজের সন্তানদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন হ্যারিয়েট। তাঁর আত্মজীবনীতে এক দিকে যেমন উঠে এসেছে দাস জীবনের বঞ্চনা ও নিপীড়নের কথা, পাশাপাশিই জায়গা পেয়েছে …

দাস মেয়ের জীবন, চতুর্থ কিস্তি Read More »

শেয়ার করুন

মেরি টাইলারের পথ ধরে

সানন্দা দাসগুপ্ত নারী অধিকার আন্দোলন কর্মী বি.অনুরাধার গল্প সংকলন Prison Notes of A Woman Activist- এর ‘In Footsteps of Mary Tyler’-গল্পের বাংলা অনুবাদ। ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে, অনুরাধাকে গ্রেফতার করে ঝাড়খণ্ড পুলিস। সিপিআই (মাওবাদী) দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। চার বছর হাজারিবাগ কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে থাকেন অনুরাধা। এখানেই জেলের অভিজ্ঞতা নিয়ে, সহবন্দীদের …

মেরি টাইলারের পথ ধরে Read More »

শেয়ার করুন

এক দাস মেয়ের জীবন (তৃতীয় কিস্তি)

দক্ষিণে, ক্রীতদাস নিয়োগের দিন হল ১ জানুয়ারি। ২ জানুয়ারিতে দাসদের তাদের নতুন মালিকের কাছে চলে যেতে হয়। ভুট্টা আর তুলো যতদিন না কাটা হচ্ছে তারা খামারে কাজ করে। তারপর দুদিন ছুটি পায়।

শেয়ার করুন

গ্রীষ্ম, ২০১০

ঠিক সেই সময় আলি মহম্মদ আজান দিতে শুরু করে। তার গলা বরাবরই বড় মিঠে। কিন্তু ইদানিং কার্ফিউ-এর মধ্যে গলাটা কাঁপে। সেই শান্ত কোমল সুর কোথায় যেন হারিয়ে গেছে…

শেয়ার করুন
Kashmir Childhood_

স্কুলের পথে গজিয়ে ওঠা বাঙ্কার– কাশ্মীরের শৈশব

আমি খুব সাবধানে বলি, ওদের কাজ আমাদের ওপর নজর রাখা। বলি, ওরা অনেক অনেক দূর থেকে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছে, যে সমস্ত জায়গায় কাশ্মীরের থেকে অনেক বেশি গরম। ওরা এখানে এসেছে পেটের দায়ে। ইচ্ছে করেই জটিল খুঁটিনাটি বাদ দিই, বলি না এরকম কতজন কাশ্মীর উপত্যকায় রয়েছে, যাদের বাড়ির জন্য মন কেমন, পরিবারের জন্য মন খারাপ। বলি না, সেই বিষাদ এতটাই গভীর যে তাদের কেউ কেউ আত্মহত্যাও করে।

শেয়ার করুন

এক দাস মেয়ের জীবন

আমি ভেবেছিলাম পরদিন সকালে আমাকে বাবার বাড়ি যেতে দেবে; কিন্তু আমাকে ফুল আনতে যেতে আদেশ দেওয়া হল, সান্ধ্য মজলিশের জন্য মালকিনের বাড়ি সাজানোর জন্য। আমি সারাদিন ধরে ফুল জোগাড় করি আর সেগুলো দিয়ে দরজায় টাঙানোর মালা গাঁথি, আর সেই সময়ে আমার থেকে মাইল খানেকের দূরত্বে আমার বাবার মৃতদেহ পড়ে থাকে। আমার মালিকের তাতে কীই বা আসে যায়? বাবাতো এক টুকরো সম্পত্তি বই আর কিছু নয়।

শেয়ার করুন

জুনটিনথ ফিরে দেখাঃ এক দাস মেয়ের জীবন

জুনটিনথ-কে মনে রেখে হ্যারিয়েট জেকব-এর আত্মজীবনী Incidents in the Life of a Slave Girl বইটির প্রথম অধ্যায়ের বাংলা তজর্মা আমরা প্রকাশ করলাম। হ্যারিয়েট জেকব-এর জন্ম দাস পরিবারে। পরবর্তীতে মালিক পরিবারের কবল থেকে পালিয়ে নিজের ও নিজের সন্তানদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন হ্যারিয়েট। তাঁর আত্মজীবনীতে এক দিকে যেমন উঠে এসেছে দাস জীবনের বঞ্চনা ও নিপীড়নের কথা, পাশাপাশিই জায়গা পেয়েছে তাঁদের প্রতিরোধ ও দ্রোহের আখ্যানও। বইটি তিনি লেখেন লিন্ডা ব্রেন্ট ছদ্মনামে। বামা-র আগামী সংখ্যাগুলিতে ধারাবাহিকভাবে এই আত্মজীবনী আমরা প্রকাশ করব।

শেয়ার করুন

জনগণের শিল্পী হেলিন বুলেক-কে মনে রেখে

২০২০ সালের ১১ মার্চ হেলিন বোলেক ও আরেক অনশনরত সাথী ইব্রাহিম গ্রোকচেক যে বাড়িতে অনশন করছিলেন সেখানে হানা দেয় পুলিস। তুলে নিয়ে যায় দুই অনশনকারীকে। দাবি মানা না হলে অনশন তুলে নিতে অস্বীকার করেন হেলিন ও ইব্রাহিম। ছ’দিন প্রবল অত্যাচারের পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। ২৮৮ দিন অনশনের পর এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ মারা যান হেলিন। তখন তাঁর বয়স ২৮। জেলবন্দী থাকার সময়ে, আত্মপক্ষ সমর্থনে আদালতে নীচের এই বয়ানটি পেশ করেছিলন হেলিন। জুন মাসে হেলিন-এর জন্মদিনে তাঁকে মনে রেখে সেই বয়ানের বাংলা তর্জমা প্রকাশ করলাম আমরা।

শেয়ার করুন

গাজা থেকে লিখছি

ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের ভীষণ যন্ত্রণার থেকেও বেশি দমবন্ধ করা এই গাজা, সরু সরু রাস্তা আর বড় বড় বারান্দায় গিজগিজে গাজা…এই গাজা! কী সেই অস্পষ্ট কারণ যা মানুষকে তার পরিবার, তার বাড়ি, তার স্মৃতির দিকে টানে, যেমন বসন্ত টানে পাহাড়ি ছাগলের পালকে?

শেয়ার করুন

লুসি পারসনস, হে মার্কেট শ্রমিক বিক্ষোভের অন্যতম কারিগর

আজীবন সমাজতন্ত্রী রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে কাজ করে যান লুসি। সারাজীবনে যুক্ত হয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক গ্রুপের সঙ্গে, নীতির প্রশ্নে থেকেছেন আপোসহীন। বিপ্লবের মাধ্যমে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার উচ্ছেদের লক্ষ্যে স্থির থেকে চালিয়ে গেছেন লড়াই। কৌশলগত কারণেই ধোঁয়াশা তৈরি করেছেন নিজের বর্ণগত পরিচয় ও অতীত নিয়ে।

শেয়ার করুন

প্যারি কমিউন – ইতিহাসের (অ)দৃশ্যমান মেয়েরা

কমিউনের এই নেত্রীরা প্রত্যেকে সমাজতন্ত্র ও নারীবাদ বিষয়ে নিজস্ব ভাবনা নিয়ে কমিউনে অংশগ্রহণ করেন, চ্যালেঞ্জ করেন শ্রেণি ও লিঙ্গ ক্ষমতার অসাম্যকে। প্রশ্নের মুখে দাঁড় করান সমাজতান্ত্রিক মহলের অভ্যন্তরীণ পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গীকে। শ্রেণি সাম্যের পাশাপাশি লিঙ্গ সাম্যের গুরুত্বেমর ওপর জোর দেন বারবার, জন্ম দেন এমন এক নারীবাদের যা সমাজতন্ত্রের অভ্যন্তরের বহুস্বরকে প্রতিফলিত করে। অন্যদিকে, এই অভিজ্ঞতা প্যারিসের শ্রমজীবী নারীদের মধ্যে এক নতুন চেতনার জন্ম দেয়, যার উত্তরাধিকার বহন করে পরবর্তী প্রজন্ম।

শেয়ার করুন

এই গোলামি থেকে মেয়েদের মুক্তি প্রয়োজন

হায়দ্রাবাদের বিপ্লবী নারী আন্দোলন কর্মী বি.অনুরাধার সঙ্গে কথোপকথনে সানন্দা।

শেয়ার করুন

প্যারি কমিউন– ইতিহাসের (অ)দৃশ্যমান মেয়েরা

প্যারি কমিউনের দেড়শো বছর পর, এক অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা যখন পড়ে নিতে চাইছি সেই ইতিহাস, অতীতের লড়াইয়ের মধ্যে থেকে খুঁজে নিতে চাইছি বর্তমান সংগ্রামের রসদ, তখন জরুরি হয়ে ওঠেন লুইজি মিচেল, নাতালি লেমেল, বিত্রিক্স এক্সকোফন, মেরি-ক্যাথরিন রিগিসার্ত, জোসেফিন ক্যুরবয়িস, অ্যানা জ্যাকলার্ড ও আরও বহু নামহীন ফরাসী শ্রমজীবী মহিলা, যারা আজ থেকে দেড়শো বছর আগে পিতৃতান্ত্রিক সমাজের বেঁধে দেওয়া গন্ডি ছাড়িয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন লড়াইয়ের ময়দানে, অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন সমাজব্যবস্থা বদলের আকাঙ্ক্ষায়, শ্রেণিহীন সমাজের স্বপ্নে ।

শেয়ার করুন

তোমার গল্প বলতেই হবে- অনুরাধা গান্ধীকে লেখা ভার্নন গঞ্জালভেস-এর চিঠি

আমি অবশ্য এই অভিজ্ঞতাকে সবসময়ই খুব দূর থেকে বিক্ষিপ্তভাবেই ‘জানতে’ পারব। যেমন আমি জানি, আমাদের পুরুষদের মন কত সহজেই তোমার কাজকে আমাদের সর্বোত্তম পুরুষ কমরেডদের কাজের মাপকাঠিতে তুলনা করে নিক্তিতে মেপে নিতে চাইবে, অঙ্ক কষে নেবে মনে মনে। এও জানি, একজন পুরুষ সাথীর যে কথাকে সুচিন্তিত পরামর্শ মনে করা হয়, একজন মহিলা কমরেডের সেই একই কথাকে রাগারাগি বকাবকি হিসেবে ধরে নেওয়াটাই রীতি। পুরুষের ক্রোধকে যেখানে মনে করা হয় গৌরবের, মেয়েদের রাগ সেখানে শুধুই নাকিকান্না, পুরুষের চোখের জল মহান আর মহিলার ক্ষেত্রে তা শুধুই কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অছিলা। জানি, বিপ্লবী মননে কিভাবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী পৌরুষ তার আধিপত্য বিস্তার করে, আর সেই পিতৃতান্ত্রিক ধাঁচার ভিতরে মহিলা কমরেডদের জোর করে পুরে ফেলার চেষ্টার বিরুদ্ধে তোমাদের মেয়েদের কী নিরন্তর এক লড়াই চালিয়ে যেতে হয়।

শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক নারী দিবস: এক জঙ্গি উদযাপন

আলেকজান্দ্রা কলোনতাই-এর ১৯২০ সালে লেখা প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক নারী দিবস-এর বাংলা অনুবাদ

শেয়ার করুন

খাবার চাই, চাই রুটি- আমেরিকার ১৯১৭-এর খাদ্য দাঙ্গা

পরদিন, অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি মাসের ২০ তারিখ জমায়েতের ডাক দেয় ‘মাদার’স অ্যান্টি-হাই প্রাইস লিগ’। হাজার হাজার মহিলা যোগ দেন জমায়েতে। সভা শেষে ইদা হ্যারিস ও মেরি গানজ্-এর নেতৃত্বে মিছিল এগিয়ে চলে সিটি হলের দিকে। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি মেয়র-এর অফিসের লোহার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৪০০ জনেরও বেশি মহিলা উঠে যান সিটি হলের সিঁড়ি বেয়ে। অনেকেরই পিঠে বাচ্চা। ইংরেজি ও ইদ্দিশ ভাষায় স্লোগান ওঠে, “খাবার চাই, চাই রুটি, খাবার চাই আমাদের সন্তানদের!”

শেয়ার করুন