বামা

সম্পাদকীয়

আমরা এমন একটা সময়ে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে পক্ষ বিপক্ষের আপাত সংঘর্ষে পৃথিবী দু’ভাগ। একদিকে ন্যাটোর সামরিক আঁতাত, অপরদিকে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ। আমরা ব্যস্ত এই খেলায় পক্ষ নিতে। কোন সামরিক নেতা বেশি হাসাতে পারেন, কার পৌরুষের আস্ফালন চোখে পড়ার মতো, কে উঠে আসছেন মানবতার নতুন মুখ হয়ে। অথচ, আমরা ভুলে যাচ্ছি যে দেশের সরকার, দেশের সামরিক …

সম্পাদকীয় Read More »

শেয়ার করুন

জঙ্গি ভালবাসা অথবা গুলকন্দ তৈরির রেসিপি

যুদ্ধ আর হানাহানি ভালবাসাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয় না, আরও কম গুরুত্ব পায় মানুষ, যাদের ছাতিতে ওরা ঘাঁটি গেড়েছে।

শেয়ার করুন

গেরুয়া শাল পরে আসা ছেলেমেয়েদের লিখছি

মীনা কন্দস্বামী গেরুয়া স্কার্ফ জড়ানো প্রিয় ছেলে-মেয়েরা, নমস্কার! আমি তোমাদের এই চিঠি লিখছি যদিও তোমাদের সাথে আমার কখনও দেখা হয়নি। যখন আমি প্রথম তোমাদের ভিডিওগুলো দেখি, সত্যি বলতে খুব ভয়ই পেয়েছিলাম। বিশ্বাস করতে পারছিলাম না ভারতে এসব ঘটছে, আমাদের সকলে যে দেশ সেই ভারতে। তোমাদের মধ্যে কাউকে বিপজ্জনক ভেবে ভয়টা পাইনি, আমার চোখে তোমারা এখনও …

গেরুয়া শাল পরে আসা ছেলেমেয়েদের লিখছি Read More »

শেয়ার করুন

প্রথম বর্ষ, সংখ্যা ১০, মার্চ ২০২২

সম্পাদকীয় প্রবন্ধ Myriad resistance; an overview of Muslim women’s struggles – Hasina Khan কর্ণাটক হিজাব বিতর্ক : সাংবিধানিক অধিকারের ওপর শাসক গোষ্ঠীর  আক্রমণ – নিশা আবদুল্লাহ  বাংলাদেশের  গার্মেন্ট শ্রম সংগঠনের  অর্থনৈতিক ও লৈঙ্গিক ইতিহাস এবং রাজনীতি  – নাফিসা তানজীম  ভারতের নাগরিকত্বের পিতৃতান্ত্রিক  ক্রমবিবর্তন  এবং আসাম এনআরসি – তানিয়া লস্কর  গানের এক জীবন: উডি গাথরী ও …

প্রথম বর্ষ, সংখ্যা ১০, মার্চ ২০২২ Read More »

শেয়ার করুন

সম্পাদকীয়

এই সংখ্যা থেকে ‘বামা’ দ্বিমাসিক পত্রিকা হতে চলেছে। পত্রিকার এই পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এবারের সংখ্যার কেন্দ্রে থাকছে ‘ছোটদের জন্য’ বিভাগটি। চেষ্টা করা হল নারীবাদী ভাবনাচিন্তার সঙ্গে সঙ্গে আমোদ, আনন্দ, শৈশব এবং মুক্তির স্বাদ খুঁজে নেওয়ার। ছোটদের জন্য লেখা যতটা ছোটদের ততটা তো বড়দেরও বটে। তাদের জন্য লিখতে গিয়ে নিজের ভেতরকার ছোট মানুষটিকে যদি খুঁজে পাওয়া যায় তাহলে মন্দ কী! যে ভাষা আমরা হারিয়ে ফেলেছি, যে সাহস খুঁজতে থাকি বেঁচে থাকার প্রতিটি মুহূর্তে তার অনেকটাই খুঁজে পাওয়া সম্ভব ছোটদের জগতে – তাদের সাথে, তাদের ভাষায় কথা বলার চেষ্টার মাধ্যমে, তাদের জগত থেকে সাহস সংগ্রহ করার মাধ্যমে।

শেয়ার করুন

রক্তচোষা

না, কেউ আসেনি। কী করে মৃত্যু হলো ক্ষীরোদার, এ প্রশ্ন তুলে জেল কর্তৃপক্ষকে কেউ বিব্রত করেনি। কত পাগলই তো পাগল বাড়িতে বন্দী। দু’চারদিন বাদে-বাদে একজন করে মারাও যাচ্ছে। তাদের মধ্যে কেউ বেওয়ারিশ! আত্মীয়-স্বজন নেই, থাকলেও তাদের সঙ্গে পাগলের সম্পর্ক ছেদ হয়েছে বহু আগেই। যাদের ওয়ারিশ আছে– মৃত্যুর খবর পেলে তাদের কেউ-কেউ আসে, কেউ বা আসেও না। যারা আসে, সামর্থ্য থাকলে মৃতদেহের সৎকার করে। কিন্তু কেউ কোনো প্রশ্ন করেনা। কী করে তার পাগল আত্মীয়ের অকালমৃত্যু ঘটল, এ প্রশ্ন তুলে জেল-কর্তৃপক্ষকে বিব্রত করার ঘটনা খুব কম ক্ষেত্রেই ঘটে। হয়তো যেদিন পাগল বলে তার আত্মজনকে জেলে দিয়ে গেছে কেউ, সেদিনই তাকে মৃত বলে ধরে নিয়েছে সে। তাই এই মৃত্যু আর নতুন করে তাদের মন স্পর্শ করেছে বলে টের পাওয়া যায় নি।

শেয়ার করুন

সম্পাদকীয়

বামা গুলফিশা ফতিমা। গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে জেল বন্দী। অপরাধ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও এনআরসি-র মতো ঘাতক নীতির বিরোধিতা। ২০১৯-এর শেষ ভাগে যখন সারা দেশ এই আইনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিল, এমবিএ-র ছাত্রী ২৮ বছরের গুল ছিল লড়াইয়ের সামনের সারিতে। দিল্লির সিলামপুরে মুসলিম মহিলাদের অবস্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিল গুল।  রাষ্ট্র ক্ষমতা বিরোধিতা সহ্য করে না। …

সম্পাদকীয় Read More »

শেয়ার করুন

প্রথম বর্ষ, সংখ্যা ৮, অক্টোবর ২০২১

সম্পাদকীয় প্রবন্ধ ভীমা কোরেগাঁও বা এলগার পরিষদ মামলায় কী হচ্ছে? – অতীন্দ্রিয় চক্রবর্তী পিতৃতন্ত্রের হিংসা: যুদ্ধ, ধর্ষণ, নারী – প্রত্যয় নাথ গানের এক জীবন: উডি গাথরী ও তার সময় (দ্বিতীয় কিস্তি) – পৃথা চট্টোপাধ্যায় গদ্য গরাদ স্মৃতি: রাজশ্রী দাশগুপ্তের স্মৃতিকথা  (প্রথম কিস্তি) বধূ না মাওবাদী – নিশা বিশ্বাস রক্ত-চোষা (জেলের ভেতর জেল) [পুনর্মূদ্রণ] – মীনাক্ষী …

প্রথম বর্ষ, সংখ্যা ৮, অক্টোবর ২০২১ Read More »

শেয়ার করুন

সম্পাদকীয়

বামা-র লক্ষ্য যেমন একদিকে মূলধারার ইতিহাসে প্রান্তিক হয়ে থাকা অতীত স্বরগুলির অনুরণন খুঁজে বের করা, তেমনই বর্তমান প্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে দিনে দিনে আরও বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়ে ওঠা। বহুস্বরের প্রকাশমাধ্যম হয়ে ওঠা। হাজার প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বামা-কে প্রেরণা জোগায় দেশের মেয়েদের স্পর্ধা, প্রতিবেশী মেয়েদের প্রতিরোধ। তালেবান আক্রমণের সম্মুখে আফগান নারীদের প্রতিস্পর্ধা যদি সম্ভব হয়, তাহলে সব চরম পিতৃতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধেই রুখে দাঁড়ানো সম্ভব। রোজাভা আন্দোলনের কুর্দি মেয়েদের মতো, আফগান নারীরাও বিশ্বজনীন নারীবাদী আন্দোলনকে পথ দেখাক- এমনই বামা-র আশা। কুর্দি কমরেডদের আফগান মেয়েরা যেমনটা বলেছিল, এই দুঃসময়ে সেই স্বপ্নই দেখে বামা।

শেয়ার করুন

প্রথম বর্ষ, সংখ্যা ৭, সেপ্টেম্বর ২০২১

সম্পাদকীয় প্রবন্ধ  The Miracle Mop and its Mechanical Appeal to the Female mob – Aatika Singh সুন্দরবন ও নারী জন্ম – ঊর্মিমালা রায় গানের এক জীবন: উডি গাথরী ও তার সময় (প্রথম পর্ব)- পৃথা চট্টোপাধ্যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, পঞ্চাশের মন্বন্তর ও কমিউনিস্ট মেয়েরা (প্রথম কিস্তি) – অর্কদীপ আত্ম(বি)নির্মাণের লড়াই – অঙ্গনা   অনলাইন ক্লাস, বৈষম্য ও …

প্রথম বর্ষ, সংখ্যা ৭, সেপ্টেম্বর ২০২১ Read More »

শেয়ার করুন

সম্পাদকীয়, আগস্ট, ২০২১

বামা “গর ফির্দৌস বুর্রে জমিনস্ত  হামি নস্ত, হামি নস্ত, হামি নস্ত…” এই পৃথিবীতে যদি কোথাও স্বর্গ থেকে থাকে, তবে তা এখানেই, এখানেই, এখানেই – আমির খুসরুর এই লাইন দুটিই হয়তো আমাদের বেশিরভাগের কাশ্মীরকে চেনার প্রধান সূত্র। নৈসর্গিক কাশ্মীর। যে কাশ্মীরকে আমরা চিনি শীতকালের শালওয়ালাদের নকশার বুননে। যে কাশ্মীরের সাথে আমাদের পরিচয় ‘মিশন কাশ্মীর’, ‘রোজা’, কিম্বা …

সম্পাদকীয়, আগস্ট, ২০২১ Read More »

শেয়ার করুন

মূলনিবাসী শৈশবের ঔপনিবেশিক গণহত্যা

যে ইতিহাস ‘সভ্যতা’র আলো দেখানোর নামে মূলনিবাসী অসংখ্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি, যাপনকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার হাড় হিম করা গল্প। ঔপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণ কায়েম রাখার জন্য স্থানীয় সংস্কৃতি নির্মূল করতে তাই মিশনারি বোর্ডিং স্কুলগুলোতে মূলনিবাসী বাচ্চাদেরও নির্বিচারে হত্যা করা হয়। চলে হাজার হাজার বাচ্চার মৃতদেহ গোপনে কবর দেওয়ার আয়োজন। সেই মৃতদেহের ভিতের ওপর তৈরি হয় ‘সভ্য’ বাচ্চাদের আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

শেয়ার করুন

সম্পাদকীয়, জুলাই ২০২১

১১ই জুলাই ১৯৯৬। রাতের অন্ধকারে বিহারের ভোজপুরের বাথানীটোলা গ্রামে রণবীর সেনার উচ্চবর্ণ জমিদার বাহিনী ঢুকে পড়লো। জ্বালিয়ে দিল দলিত, মুসলিম পরিবারের সমস্ত ঘরবাড়ি। ত্রিশূলে গেঁথে ফেলল অচ্ছুত নিম্নবর্ণ ভ্রূণ, দুগ্ধপোষ্য শিশু। গর্ভবতী মহিলা সহ অন্যান্য নারীদেহের ওপর চালাল অবাধ গণধর্ষণ। মারা গেলেন ২১ জন। তাঁদের অপরাধ ছিল, তাঁরা দলিত বা মুসলিম। অপরাধ ছিল ক্ষেতের কাজের …

সম্পাদকীয়, জুলাই ২০২১ Read More »

শেয়ার করুন

“খাঁচায় পুরে দিলেও তো পাখি গাইতে পারে”- ফাদার স্ট্যান স্বামী এসজে

এই যে আমরা ১৬জন সহঅভিযুক্ত বিভিন্ন জেলে বন্দী, বা হয়তো একই জেলের ভিন্ন বৃত্তে আটকা, একে অপরের সাথে দেখা হয়তো বা সম্ভব নয়, তবুও আমরা একসাথে গান গাই। তবুও আমরা সমবেত গান গেয়ে যাব। খাঁচায় পুরে দিলেও তো পাখি গাইতে পারে।

শেয়ার করুন

সুলেখা সান্যাল স্মরণে

শেষ পর্যন্ত পিসি ওঠে৷ তাকে সাতপাক ঘোরানো হয়৷ বরের দিকে তাকায় দুই লাল লাল চোখ তুলে৷ ছেলেমেয়েরা অনেকে খুশিতে হাততালি দিয়ে হাসে। মেয়েরা ঝুঁকে পড়ে সেদিকে। পিসি কিন্তু একবারও চোখদুটো সরায় না।

বর্ষিয়সী কে যেন ভিড়ের মধ্যে ফিশফিশ করেন, আজকাল আর মেয়েদের লজ্জা-টজ্জা নেই দিদি। দিব্যি প্যাটপ্যাট করে দেখে নিল।

শেয়ার করুন

বাথানীটোলা হত্যাকাণ্ড

১৯৯৬ সালের ১১ই জুলাই বিহারের ভোজপুরের বাথানীটোলা গ্রামে ২১ জন দলিত এবং মুসলিম ভাগচাষীকে হত্যা করে উগ্রপন্থী উচ্চবর্ণ হিন্দুত্ববাদী দল রণবীর সেনা। মৃতদের মধ্যে ৬ জন বাচ্চা এবং ৩ জন দুগ্ধপোষ্য শিশুও ছিল, যাদেরকে খুঁজে বের করে হত্যা করা হয়। রণবীর সেনার উচ্চবর্ণ ভূমিহার এবং রাজপুত জাতের প্রায় ৬০ জন সদস্য রাতের অন্ধকারে বাথানীটোলা গ্রামে ঢোকে এবং ১২টি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই অঞ্চলে সিপিআইএমএল (লিবারেশন), সিপিআই (মাওবাদী) সহ বামপন্থী দলগুলি খেতমজুর, ভাগচাষী এবং কৃষিক্ষেত্রের শ্রমিকদের ভূমিহারদের বিরুদ্ধে সংগঠিত করতে শুরু করলে রণবীরসেনা গ্রামের গরীব, নিম্নবর্ণ, না খেতে পাওয়া মানুষদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে, তাদের নির্বিচারে হত্যা করে জানান দেয় উচ্চবর্ণ, উচ্চবিত্তের ক্ষমতা। জানান দেয়, প্রাণে বেঁচে থাকতে হলে উঁচু জাতির বিরুদ্ধে, জমিদার-জোতদারদের বিরুদ্ধে শব্দ করা যাবে না। বাথানীটোলা হয়ে দাঁড়ায় এক প্রতীক – যেখানেই আওয়াজ উঠবে উচ্চবর্ণ আর জমিদারী শোষণের বিরুদ্ধে, সেখানেই বাথানীটোলা করা হবে।

শেয়ার করুন

কাথে কোলভিৎজের শিল্পের রাজনীতি

১৮৬৭ সালের ৮ই জুলাই জার্মান শিল্পী কাথে কোলভিৎজের জন্ম। মূলত স্কেচিং, উডকাট, লিনোকাট, লিথোগ্রাফ এবং ভাস্কর্য ছিল কাথের শিল্পের প্রকাশমাধ্যম। জার্মানির বার্লিন আর্টস আকাদেমিতে একমাত্র যে মহিলা শিল্পী স্বীকৃতি পান, তিনি কাথে কোলভিৎজ। ১৯৩৩ সালে নাৎসিবাহিনী ক্ষমতায় আসার পরে কোলভিৎজকে এই পদ থেকে বহিষ্কারও করা হয়। কোলভিৎজের ছবিতে বারবার উঠে এসেছে নিপীড়িত মানুষের কথা। বিশ্বযুদ্ধের ইউরোপ, তাঁতশিল্পীদের প্রতিরোধ থেকে চাষিদের অবস্থা – সবই ধরা পড়েছে কোলভিৎজের কালির আঁচড়ে। পেজেন্ট ওয়ার (কৃষক যুদ্ধ), উইভার্স রিভোল্ট (তাঁতি বিদ্রোহ), জার্মান চিলড্রেন আর স্টারভিং (জার্মানির বাচ্চারা অভুক্ত), ডেথ (মৃত্যু) ইত্যাদি কাথে কোলভিৎজের অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাজ। একইসাথে ধরা পড়েছে ব্যক্তিগত যন্ত্রণা, স্বপ্নভঙ্গ, আর প্রত্যয়ের ছবি।

শেয়ার করুন

প্রতিরোধের স্পর্ধা

১৩ই জুন, ১৯৩৬ সালে নাৎসি জার্মানিতে একটি শ্রমিক সমাবেশে এই ছবিটি তোলা হয়। নাৎসি বাহিনীর জন্য একটি নতুন জাহাজ নির্মাণ প্রসঙ্গে এই সমাবেশ আয়োজিত হয়েছিল। ছবিতে হাজার হাজার মানুষের নাৎসি স্যালুটের মাঝখানে একমাত্র একজন ব্যক্তিই স্যালুট করছেন না। তথ্যানুসন্ধান করে দেখা গেছে, এই ব্যক্তি অগাস্ট ল্যান্ডমেসের, যিনি জাহাজের ডকের একজন জার্মান শ্রমিক ছিলেন। ১৯৩৫ সাল অবধি ল্যান্ডমেসের নাৎসি পার্টির সদস্য ছিলেন, কিন্তু এক ইহুদী মহিলা ইরমা একলারের প্রেমে পড়ে তিনি সদস্যপদ ত্যাগ করেন।

শেয়ার করুন

আপনাকে বলছি স্যার

আজ যখন নয়া শিক্ষানীতি আবারও শিক্ষাকে পণ্য করে তুলছে, পুঁজির স্বার্থে, সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থে আবারও পথ করে দিচ্ছে মেয়েদের স্কুলছুট হওয়ার, যখন অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা সমাজের বৈষম্যগুলোকেই আরও প্রকট করে দিছে তখন বারবিয়ানার স্কুলের কথা, সেখানকার ছাত্রছাত্রীদের লেখা চিঠি আরও আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। সলিল দার লেখাতেই জানা যায় বারবিয়ানার স্কুলটি পরবরতিকালে বন্ধ হয়ে গেলেও কিছু বছর পরেই ফ্লোরেন্সের ক্যালেঞ্জানো শহরে সেখানকারই কিছু প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী মিলে আরেকটি স্কুল গড়ে তোলে। বারবিয়ানা তাই কখনই বন্ধ হয় না। সলিল দা চলে গেলেও তাই বারবিয়ানার কথা থেকে যায়। কখনও ফ্লোরেন্সে, কখনও কলকাতায়, কখনও শ্রীরামপুরে। থেকে যায় বিকল্প শিক্ষা ব্যবস্থার প্রত্যয়, অভিভাবকদের ইউনিয়ন গড়ার কথা, এই ব্রাহ্মমণ্যবাদী পিতৃতান্ত্রিক শিক্ষাব্যবস্থার বুকে রোহিত ভেমুলা, পায়েল তাদভি, বা চুনি কোটালদের অফুরান স্বপ্ন হয়ে।
সেই সলিল দার স্বপ্নকেই জিইয়ে রেখে থাকলো ‘আপনাকে বলছি স্যার’-এর কিছুটা বাছাই অংশ।

শেয়ার করুন

অন্ধ্রের কম্যুনিস্ট মেয়েরা

অন্ধ্রপ্রদেশের নারী আন্দোলন প্রসঙ্গে শর্মিষ্ঠা চৌধুরীর নিচের লেখাটি আসলে অসমাপ্ত। তা তাঁর ফেসবুক লেখনী থেকে পাওয়া। বেশ কয়েকটি কিস্তি লিখবেন বলে কথা দিয়েও দুটি কিস্তি লিখেছিলেন তিনি ২০২০ সালের অক্টোবরে। দুটি কিস্তি একসঙ্গে ‘বামা’ প্রকাশ করল। অন্ধ্রপ্রদেশের চল্লিশের দশকের কমিউনিস্ট আন্দোলনে নারীর ভূমিকা ও নারীর প্রতি কমিউনিস্ট আন্দোলনের দৃষ্টিভঙ্গির সীমাবদ্ধতা নিয়ে তিনি যা বলেছিলেন, তা পশ্চিমবঙ্গের তেভাগা বা পরবর্তী কালে নকশালবাড়ি আন্দোলনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

শেয়ার করুন

সম্পাদকীয়, জুন ২০২১

পরিবারতন্ত্র থেকে বেরিয়ে যেতে পারলেই উত্তরাধিকার শব্দটি এক আলাদা মাত্রা পায়। কিসের উত্তরাধিকার এবং কে সেই উত্তরাধিকারী, এই গতিশীলতায় উৎপন্ন হয় নতুন ভাবনার, নতুন চিন্তার। বিসমকামী পারিবারিক প্রথায় যৌতুক যেমন শোষকের নির্লজ্জ দাবী, নারীর বৈষয়িক উত্তরাধিকার হয়ত তেমনই শোষণমুক্ত হতে পারার এবং শিকল ছিঁড়ে বেরোতে পারার সম্ভাবনা। আর তাই, সেই সম্ভাবনাকে গুঁড়িয়ে দিতে, অপরের সম্পদে নিজের অধিকার কায়েম রাখতে, অপরকে নিজের সম্পদে পরিণত করতে অত্যাচারী মানুষেরা এবং প্রতিষ্ঠানগুলো দমন, নিয়ন্ত্রণ, বঞ্চনা ইত্যাদির আশ্রয় নেয়। কিন্তু এই উত্তরাধিকার যদি বিমূর্ত হয় অথবা হয় কোন ইতিহাসের পাঠ, তখনও কি শোষক এর ভাগ চাইবে, না কী চেষ্টা করবে সেইসব বিমূর্ত সম্ভাবনাগুলিকেই সমূলে বিনাশ করতে? উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া দ্রোহ তো শোষকের বিপক্ষেই যায় আর সেকারণেই হয়ত প্রান্তিক যাপনের উত্তরাধিকার কেন্দ্রে অবস্থিত ক্ষমতাসীন মানুষদের ভীত নাড়িয়ে দেয়। তেমনই এক উত্তরাধিকারের সময় এই জুন মাস।

শেয়ার করুন

ছোটদের চোখে মে দিবস

মে দিবসে বামা’র পক্ষ থেকে ছোটদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তারা কিভাবে মে দিবসকে দেখে। তারই কয়েকটি উত্তর নিয়ে এই পোস্ট।

শেয়ার করুন

May Day

May day is celebrated on the 1st of May as the International Worker’s Day or International Labour Day. May Day celebrates unity and solidarity of workers as well their hard work and achievements. Historically, in Europe May Day has been celebrated as a day of merriment to mark the arrival of summer and was associated with blooming flowers symbolizing rebirth.

শেয়ার করুন