১৫ এপ্রিল, ২০২১

লিঙ্গ বৈষম্য

আর ছেলেরা কেন কাঁদতে পারবে না? কান্না একটা অনুভূতির প্রকাশ। এটার ছেলে-মেয়ে বলে কিছু হয় নাকি? আমরা কাঁদি যাতে দুঃখ পাওয়ার পর, আমাদের একটু হালকা লাগে, ভালো লাগে। তাই সবাই কাঁদতে পারে, তাতে কেউ ‘মেয়ে – মেয়ে’ অর্থাৎ ‘ছোট’ হয়ে যায় না।

শেয়ার করুন

ব্যামা-ব্যামি সংবাদ ০০২

‘বামা’ পত্রিকার প্রত্যেক সংখ্যায় থাকবে রঙ্গতামাশা এবং সঙ্গে থাকবে ব্যামা-ব্যামি সংবাদ। কথা – অনিন্দ্য সেনগুপ্ত। অলংকরণ – সেঁজুতি দত্ত এবং অনিন্দ্য সেনগুপ্ত।

শেয়ার করুন

পুরুষালি ভোট-উপত্যকায় অপর

ভোটের মাস যখন ঘনিয়ে আসে, তখন গণতন্ত্রের সার্কাসের নানা স্তরে নারীবিদ্বেষ ও লিঙ্গ-অসাম্যের ঢালাও প্রদর্শনীও জমে ওঠে। প্রার্থী নারীও বাদ যান না এই বিদ্বেষের কোপ থেকে৷ কোথাও প্রার্থীর নামে ভুয়ো পর্ন ছবি প্রচার করা হয়, যেমনটা হয়েছে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি বিধানসভায় নির্দল প্রার্থী রাফিকা সুলতানার ক্ষেত্রে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পর অপরাধী ধরা পড়েছে। কিন্তু এসেছে অনলাইন হুমকিও। ‘পরীর ডানা কাইটা ফেলবো।’

শেয়ার করুন

জয় ভীম!

Previous Next আম্বেদকর জন্মেছিলেন সতীদাহ আর গৌরীদানের দেশে৷ অথচ দলিত হিসেবে তাঁর প্রান্তিক অবস্থান​ই​​​ হয়ত নারীর প্রান্তিকতার প্রতি সমমর্মী করেছিল। ভারতের নারী আন্দোলনে তিনি ত্রাতার ভূমিকায় নয়, অবতী​​র্ণ হন কর্মীর ভূমিকায়। ডঃ আম্বেদকর নারী আন্দোলনে প্রথম বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ​​গ্রহ​ণ​ করেন ১৯২৮ সালের ২২শে অক্টোবর মহারাষ্ট্রে ‘নারী মর্যাদা সুরক্ষা’ আন্দো​লনে​ অংশগ্রহণ করার মধ্যে​ দিয়ে​। তাঁর ডাকে …

জয় ভীম! Read More »

শেয়ার করুন

সম্পাদকীয়, এপ্রিল ২০২১

বাংলায় ভোট-মাস। আর ভোট-মাস মাসে বিশ্বদর্শন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রকট হলেই তো ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর যত অন্ধকার, যত দাঁত নখ, তাও প্রকট হয়। প্রকট হয় সার্বিক হিংস্রতা, উগ্রতা। আর লিঙ্গসাম্য নিয়ে যাঁরা চর্চা করি, তাঁরা অবাক হয়ে দেখি, কীভাবে প্রতিনিয়ত উদগ্র হচ্ছে কুরুচিকর বডিশেমিং ও নারীবিদ্বেষ৷ এই দুইটি প্রান্তর কোনো পার্টির একচেটিয়া নয়। আজ যিনি ভিক্টিম, কাল তিনিও প্রতিপক্ষকে একই ভাষায় আক্রমণ করতে পারেন। ভাষা তথা ভঙ্গির গুরুত্ব বড় কম নয় ক্ষমতার রাজনীতিতে। তারা ঘৃণা ও নৃশংসতার বাহন হয়ে ওঠে এ সময়।

শেয়ার করুন

বিয়েবাড়ি

ইংরেজি ভাষার মূল গল্পটির নাম, “বিয়েবাড়ি গেলেন ফ্রাউ ব্রেকেনমেকার”। ক্যাথারিন ম্যানস্ফিল্ডের (১৮৮৮-১৯২৩) প্রথম বই “ইন এ জার্মান পেনশন” ( ১৯১১) থেকে নেওয়া। বইটির তিনটি এডিশন হয়েছিল তথাপি বইটি পুনর্মুদ্রণে ক্যাথারিন রাজি ছিলেন না কেননা তাঁর ধারণা ছিল, তাঁর ১৯ বছর বয়সের এই লেখাগুলি অপরিণত। তিনি দ্বিতীয় বই ছাপেন ১৯১৭ তে এবং খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছান ১৯২০ তে তাঁর “ব্লিস” নামের বইয়ের প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে। কিন্তু গল্পটি পড়লেই পাঠক বুঝবেন প্রথম দিকের রচনাতেও কত সাবলীল তিনি।

শেয়ার করুন

“কম্যুনিস্টদের অবশ্যই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে . . . কিন্তু গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের লড়াইয়ে তারাই একমাত্র অংশীদার নয়”: অনুরাধা গান্ধীর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার

১৯৭২ সালে বোম্বাইয়ের এলফিনস্টোন কলেজের ছাত্রী থাকাকালীন অনুরাধা গান্ধী ‘প্রোগ্রেসিভ ইয়ুথ মুভমেন্ট’ বা ‘প্রোয়োম’ (PROYOM) নামে নকশালপন্থী ছাত্র সংগঠনের সংস্পর্শে আসেন, এবং তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। তিনি এই সংগঠনের অন্যতম সক্রিয় সদস্য হয়ে ওঠেন এবং পরবর্তীতে সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮২ সালে নাগপুর সংলগ্ন গড়চিরোলি জেলায় কারখানা শ্রমিকদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের কারণে তিনি বোম্বে থেকে নাগপুরে স্থানান্তরিত হন। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়ে অনুরাধা বিস্তৃতভাবে বিভিন্ন সাময়িকীপত্রে নিয়মিত লিখতেন।

শেয়ার করুন

“Communists must be the foremost […] but they are not the only fighters for democratic change”: Anuradha Ghandy’s Lasting Legacy

One of Ghandy’s inquiries into the early debates about the caste question within Indian Marxist politics, in addition to the actual addressing of the question itself, is the acknowledgment that casteism inhabits both the base and the superstructure. She substantiates this claim by explaining how the beginnings of the caste system lay in the period of transition from a simple tribal economy to a surplus-extracting agricultural economy, in the subjugation of the tribal communities through wars and their forcible assimilation into the village culture.

শেয়ার করুন

বেড়ালরা হাসে না কেন?

যেমন ধরো, কুকুররা হাসে। কুকুরদের বিস্কুট দাও, তারা হাসে। কোন কুকুর যদি তোমার চেনা হয় আর অনেকদিন পর (ওদের কাছে তোমার কয়েক ঘন্টা প্রায় একটা দিনের সমান) যদি তোমার সঙ্গে দেখা হয়, ওরা হাসে। কুকুররা নার্ভাস হলে হাসে, ভ্যাবাচ্যাকা হলেও হাসে – কিন্তু বেড়ালরা হাসে না।

শেয়ার করুন

বিউটি এবং বিস্ট

মা বলত, জুতো দেখে মানুষকে চেনা যায়। মানুষটা অগোছালো না পরিপাটি, দুস্থ না রোগগ্রস্থ, অস্থির না সমাহিত, বুর্জোয়া না বামপন্থী, অথবা বুর্জোয়া এবং “বামপন্থী” কিনা- মানুষের দুটো পায়ের পাতায় তা লেখা থাকে বলে মা বিশ্বাস করত।

শেয়ার করুন

হারুর মৃত্যুদণ্ড

গ্রামের সবাই প্রায় বুঝতে পারছে হারুর পুরো মামলাটাই সাজানো ঘটনা। শুধু প্রমাণের অভাবেই বেচারার ফাঁসি হল। বাদীপক্ষের হয়ে দু’জন মানুষ, একটি ছাগল এবং মোষ হারুর বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছে মাত্র। জজ সাহেব চাইলেও হারুকে ক্ষমা করতে পারতেন না। হারুর উকিল অনেক তর্ক বিতর্ক করেও ওই প্রমাণের সত্যতা অস্বীকার করতে পারেননি এবং হারু নিজেও নির্দোষ হবার পাল্টা প্রমাণ দিতে পারেনি।

শেয়ার করুন

এই গোলামি থেকে মেয়েদের মুক্তি প্রয়োজন

হায়দ্রাবাদের বিপ্লবী নারী আন্দোলন কর্মী বি.অনুরাধার সঙ্গে কথোপকথনে সানন্দা।

শেয়ার করুন

কিছু কথা

বিয়ের পর আমার ভালোমানুষ শ্বশুরমশাই বলেছিলেন নিজের পদবী আর সার্টিফিকেট-টিকেট শ্বশুরবাড়ির হিসেবে করবার জন্য উনিই ব্যবস্থা করবেন। আমার ননদের বিয়ের পরও উনিই মেয়ের কাগজপত্র স্বামীর নাম-ঠিকানায় করে দিয়েছেন। আমি খুব নিরীহ মুখে জানিয়েছিলাম যে তার দরকার নেই। আমার পদবী-ঠিকানা-গার্জিয়ানশিপ সব মায়ের নামে আছে। ওটাতেই আমি স্বচ্ছন্দ।

শেয়ার করুন

প্যারি কমিউন– ইতিহাসের (অ)দৃশ্যমান মেয়েরা

প্যারি কমিউনের দেড়শো বছর পর, এক অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা যখন পড়ে নিতে চাইছি সেই ইতিহাস, অতীতের লড়াইয়ের মধ্যে থেকে খুঁজে নিতে চাইছি বর্তমান সংগ্রামের রসদ, তখন জরুরি হয়ে ওঠেন লুইজি মিচেল, নাতালি লেমেল, বিত্রিক্স এক্সকোফন, মেরি-ক্যাথরিন রিগিসার্ত, জোসেফিন ক্যুরবয়িস, অ্যানা জ্যাকলার্ড ও আরও বহু নামহীন ফরাসী শ্রমজীবী মহিলা, যারা আজ থেকে দেড়শো বছর আগে পিতৃতান্ত্রিক সমাজের বেঁধে দেওয়া গন্ডি ছাড়িয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন লড়াইয়ের ময়দানে, অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন সমাজব্যবস্থা বদলের আকাঙ্ক্ষায়, শ্রেণিহীন সমাজের স্বপ্নে ।

শেয়ার করুন

নারীবিদ্বেষ ও যৌন হেনস্থা: কবে সমাজ চিৎকার করে উঠবে?

প্রতিটি দলকে তাদের সমস্যাজনক প্রার্থীদের টিকিট প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা প্রয়োজন, যদি তা সম্ভব নাও হয়, অন্তত প্রতিবাদটুকু রেজিস্টার করা প্রয়োজন। প্রতিটি দলের, প্রতিটি সমস্যাজনক প্রার্থীর বিরুদ্ধে। নারীবিদ্বেষ এবং যৌন হেনস্থাকে নরম্যালাইজড হতে দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতি পদক্ষেপে প্রতিরোধ না গড়ে তুলতে পারলে এই রাজ্যকে উত্তরপ্রদেশ হওয়ার থেকে আটকানো যাবে না।

শেয়ার করুন

তোমার গল্প বলতেই হবে- অনুরাধা গান্ধীকে লেখা ভার্নন গঞ্জালভেস-এর চিঠি

আমি অবশ্য এই অভিজ্ঞতাকে সবসময়ই খুব দূর থেকে বিক্ষিপ্তভাবেই ‘জানতে’ পারব। যেমন আমি জানি, আমাদের পুরুষদের মন কত সহজেই তোমার কাজকে আমাদের সর্বোত্তম পুরুষ কমরেডদের কাজের মাপকাঠিতে তুলনা করে নিক্তিতে মেপে নিতে চাইবে, অঙ্ক কষে নেবে মনে মনে। এও জানি, একজন পুরুষ সাথীর যে কথাকে সুচিন্তিত পরামর্শ মনে করা হয়, একজন মহিলা কমরেডের সেই একই কথাকে রাগারাগি বকাবকি হিসেবে ধরে নেওয়াটাই রীতি। পুরুষের ক্রোধকে যেখানে মনে করা হয় গৌরবের, মেয়েদের রাগ সেখানে শুধুই নাকিকান্না, পুরুষের চোখের জল মহান আর মহিলার ক্ষেত্রে তা শুধুই কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অছিলা। জানি, বিপ্লবী মননে কিভাবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী পৌরুষ তার আধিপত্য বিস্তার করে, আর সেই পিতৃতান্ত্রিক ধাঁচার ভিতরে মহিলা কমরেডদের জোর করে পুরে ফেলার চেষ্টার বিরুদ্ধে তোমাদের মেয়েদের কী নিরন্তর এক লড়াই চালিয়ে যেতে হয়।

শেয়ার করুন