দ্রোহের পঞ্জিকা

লেসবিয়ানস অ্যান্ড গে-স্ সাপোর্ট মাইনার্স

এলজিএসএমের সদস্য ক্লাইভ ব্র্যাডলির বয়ানে, “আমরা অনেকেই বুঝেছিলাম আমাদের অধিকার, আমাদের মুক্তি জড়িয়ে ছিল সমাজের অন্যান্য মানুষদের মুক্তির সাথে, বিশেষ করে শ্রমিক আন্দোলনের সাথে। তাই আমাদের যাপনে আপাতভাবে পার্থক্য যাই থাক, তার থেকেও অনেক বেশি ভাবে আমরা আন্দোলনরত খনি শ্রমিকদের সাথে একাত্ম বোধ করেছিলাম”। আর এই একাত্মতা থেকেই তৈরি হলো এক নতুন ইতিহাস।

শেয়ার করুন

অগ্নি-বীণা

বীণা দাস সেই অসংখ্য নারী বিপ্লবীর অন্যতম, যাঁরা ব্রিটিশ-শাসিত ভারতের ক্ষমতাতন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, কিন্তু মান্য ইতিহাসের সন্দর্ভ যাঁদের প্রান্তিক করেছে। আগস্ট তাঁর জন্মমাস, আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা লাভেরও মাস। আগস্টে বীণা দাসের দ্রোহকে স্মরণ করা তাই অবশ্যকর্তব্য।

শেয়ার করুন

সুলেখা সান্যাল স্মরণে

শেষ পর্যন্ত পিসি ওঠে৷ তাকে সাতপাক ঘোরানো হয়৷ বরের দিকে তাকায় দুই লাল লাল চোখ তুলে৷ ছেলেমেয়েরা অনেকে খুশিতে হাততালি দিয়ে হাসে। মেয়েরা ঝুঁকে পড়ে সেদিকে। পিসি কিন্তু একবারও চোখদুটো সরায় না।

বর্ষিয়সী কে যেন ভিড়ের মধ্যে ফিশফিশ করেন, আজকাল আর মেয়েদের লজ্জা-টজ্জা নেই দিদি। দিব্যি প্যাটপ্যাট করে দেখে নিল।

শেয়ার করুন

বাথানীটোলা হত্যাকাণ্ড

১৯৯৬ সালের ১১ই জুলাই বিহারের ভোজপুরের বাথানীটোলা গ্রামে ২১ জন দলিত এবং মুসলিম ভাগচাষীকে হত্যা করে উগ্রপন্থী উচ্চবর্ণ হিন্দুত্ববাদী দল রণবীর সেনা। মৃতদের মধ্যে ৬ জন বাচ্চা এবং ৩ জন দুগ্ধপোষ্য শিশুও ছিল, যাদেরকে খুঁজে বের করে হত্যা করা হয়। রণবীর সেনার উচ্চবর্ণ ভূমিহার এবং রাজপুত জাতের প্রায় ৬০ জন সদস্য রাতের অন্ধকারে বাথানীটোলা গ্রামে ঢোকে এবং ১২টি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই অঞ্চলে সিপিআইএমএল (লিবারেশন), সিপিআই (মাওবাদী) সহ বামপন্থী দলগুলি খেতমজুর, ভাগচাষী এবং কৃষিক্ষেত্রের শ্রমিকদের ভূমিহারদের বিরুদ্ধে সংগঠিত করতে শুরু করলে রণবীরসেনা গ্রামের গরীব, নিম্নবর্ণ, না খেতে পাওয়া মানুষদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে, তাদের নির্বিচারে হত্যা করে জানান দেয় উচ্চবর্ণ, উচ্চবিত্তের ক্ষমতা। জানান দেয়, প্রাণে বেঁচে থাকতে হলে উঁচু জাতির বিরুদ্ধে, জমিদার-জোতদারদের বিরুদ্ধে শব্দ করা যাবে না। বাথানীটোলা হয়ে দাঁড়ায় এক প্রতীক – যেখানেই আওয়াজ উঠবে উচ্চবর্ণ আর জমিদারী শোষণের বিরুদ্ধে, সেখানেই বাথানীটোলা করা হবে।

শেয়ার করুন

কাথে কোলভিৎজের শিল্পের রাজনীতি

১৮৬৭ সালের ৮ই জুলাই জার্মান শিল্পী কাথে কোলভিৎজের জন্ম। মূলত স্কেচিং, উডকাট, লিনোকাট, লিথোগ্রাফ এবং ভাস্কর্য ছিল কাথের শিল্পের প্রকাশমাধ্যম। জার্মানির বার্লিন আর্টস আকাদেমিতে একমাত্র যে মহিলা শিল্পী স্বীকৃতি পান, তিনি কাথে কোলভিৎজ। ১৯৩৩ সালে নাৎসিবাহিনী ক্ষমতায় আসার পরে কোলভিৎজকে এই পদ থেকে বহিষ্কারও করা হয়। কোলভিৎজের ছবিতে বারবার উঠে এসেছে নিপীড়িত মানুষের কথা। বিশ্বযুদ্ধের ইউরোপ, তাঁতশিল্পীদের প্রতিরোধ থেকে চাষিদের অবস্থা – সবই ধরা পড়েছে কোলভিৎজের কালির আঁচড়ে। পেজেন্ট ওয়ার (কৃষক যুদ্ধ), উইভার্স রিভোল্ট (তাঁতি বিদ্রোহ), জার্মান চিলড্রেন আর স্টারভিং (জার্মানির বাচ্চারা অভুক্ত), ডেথ (মৃত্যু) ইত্যাদি কাথে কোলভিৎজের অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাজ। একইসাথে ধরা পড়েছে ব্যক্তিগত যন্ত্রণা, স্বপ্নভঙ্গ, আর প্রত্যয়ের ছবি।

শেয়ার করুন

মূর্তি ভাঙা, মূর্তি গড়া – ইতিহাসের উত্তরাধিকার

ঐতিহাসিক ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলন জর্জ ফ্লয়েডের পুলিশী নির্যাতনে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আবারো দানা বাঁধে, ছড়িয়ে পড়ে উত্তর আমেরিকার কেন্দ্র থেকে সারা বিশ্বে। গত বছর জুন মাসে ব্রিস্টলে আন্দোলনকারীরা ক্রীতদাস-ব্যবসায়ী শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী এডোয়ার্ড কোলস্টনের মূর্তি ভেঙে জলে ছুঁড়ে ফেলে দেয়, এবং এই প্রসঙ্গেই উঠে আসে ইতিহাস রক্ষা, ইতিহাস মুছে দেওয়া সংক্রান্ত অজস্র বক্তব্য।

শেয়ার করুন

লিওনে যৌনকর্মীদের চার্চ দখল

২রা জুন, ১৯৭৫। ফ্রান্সের লিওন শহরে এগ্লিস সেন্ট নেইজিয়ার চার্চ। সকাল থেকেই দখল নিল প্রায় ১০০র ওপর যৌন কর্মীরা। ঝুলিয়ে দিল লম্বা ব্যানার যাতে লেখা ‘আমাদের ছেলেমেয়েরা তাদের মায়েদের জেলে দেখতে চায়না’। সেই সময়ে ফ্রান্সে ‘বেশ্যাবৃত্তি’ আইনত অপরাধ না হলেও, প্রকাশ্যে খদ্দের ধরা আইনত অপরাধ ছিল। এই আইনকে হাতিয়ার করে প্রায়সই যৌন কর্মীদের হেনসস্থা করা হতো, চলতো পুলিশি নির্যাতন। ছয় জন যৌনকর্মীর হত্যারাও খবর ছিল। এই পরিস্থিতিতেই ‘উল্লা’ নামের এক যৌনকর্মীর নেতৃত্বে এই অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটে। যৌনকর্মীদের তাদের কাজের পরিসরে নিজেদের অধিকারের দাবিতে এই অবস্থান বিক্ষোভ ফ্রান্সে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

শেয়ার করুন

অ্যান ফ্র্যাঙ্কঃ ফিরে দেখা নাৎসি জার্মানি

অ্যান ফ্রাঙ্ক জন্মগ্রহণ করেছিল যখন, তখন তার নাম দেওয়া হয় অ্যানেলিস মেরি ফ্রাঙ্ক। জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে, ১৯২৯ সালের ১২ই জুন এডিথ হল্যান্ডার ফ্র্যাঙ্ক এবং এক সমৃদ্ধ ইহুদি ব্যবসায়ী অটো ফ্রাঙ্ক-এর দ্বিতীয় কন্যা হিসেবে তার জন্ম। তার চার বছরেরও কম বয়সে, ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে, অ্যাডল্ফ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর হন। তিনি এবং তাঁর নাজি সরকার জার্মানির ইহুদি নাগরিকদের হত্যা, বিতাড়ন আর তাদের উপর অত্যাচারের লক্ষ্যে একাধিক রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।

শেয়ার করুন

উল্গুলানের শেষ নাই: হুল মনে রেখে

১৮৫৫। দামান-ই-কোহ এলাকা। সাঁওতালদের নিজেদের দেশ। রাতের অন্ধকারে শত্রু ক্যাম্পে ঝাঁপিয়ে পরে হামলা করে দুই সাঁওতাল মেয়ে। কুঠার দিয়েই হত্যা করে ২১জন সেনাকে। সেই দুই মেয়ে যাদের ইতিহাসের পাতায় ঠাই হয়নি। যাদের নিয়ে কোনো গল্প, গান, কবিতা লেখা হয়না। সেই ফুলো আর ঝানো মুরমু। সেই সময় ছোটা নাগপুর আর গোটা সাঁওতাল পরগণার এলাকা জুড়ে আদিবাসি মানুষদের বাস ছিল। তৎকালীন ব্রিটিশ গভারনার আহ্বান জানান সেখানকার বন জঙ্গল কেটে চাষ যোগ্য করার। আজীবন উচ্ছেদ হয়ে আসা মানুষগুলি মনে করলেন এবার বুঝি শেকর গাড়া যাবে। কিন্তু এক বছর বিনা খাজনায় চাষ করতে দিলেও বছর ঘুরে সেই রাজস্ব এসে দাঁড়ায় আটান্ন হাজারে।

শেয়ার করুন

ফিরে দেখা তিয়েনানমেন

এই মাসে চীনের তিয়েনানমেন স্কোয়ারে রাষ্ট্রীয় মদতে গণহত্যা হয়েছিল ঠিক বত্রিশ বছর আগে। বেইজিংয়ের তিয়েনানমেন স্কোয়ারে হাজার হাজার নিরস্ত্র শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীর উপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। মারা যান বহু মানুষ, যার সরকারী নথি এখনও চীন সরকার প্রকাশ্যে আসতে দেয়নি। সমগ্র চীন জুড়ে বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শেয়ার করুন

বিজে উলুম ইয়োক: হেলিন বুলেকদের মৃত্যু হয় না

হেলিন আর ইব্রাহিম দুজনেই ছিল ‘গ্রুপ ইওরুম’ নামে এক বিপ্লবী গানের দলের সদস্য। হেলিন ছিল তার একজন ‘লিড সিঙ্গার’। ইব্রাহিম চলে যাওয়ার পর তুরস্কের প্রধান সংসদীয় বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি)-র সাংসদ সেজগিন তানরীকুলু তার দাবিকে একটি বাক্যে প্রকাশ করেছিলেন এইভাবে: “সে স্বাধীনভাবে গান গাইতে চেয়েছিল।”

শেয়ার করুন

চিত্তপ্রসাদকে মনে রেখে

বিপ্লবী শিল্পী চিত্তপ্রসাদের জন্মদিন ২১শে জুন, ১৯১৫। ভারতবর্ষের রাজনৈতিক শিল্পের ইতিহাসে চিত্তপ্রসাদ এক উজ্জ্বল নাম। শুধু ছবির আঙ্গিক বা বিষয়বস্তুতেই চিত্তপ্রসাদ তাঁর রাজনৈতিক চর্চা সীমিত রাখেননি, সক্রিয়ভাবে বামপন্থী রাজনীতিতে যোগদানের মাধ্যমে শিল্পধারণাকে এক নতুন রূপ দেন চিত্তপ্রসাদ।

শেয়ার করুন

ব্যাটলশিপ পোটেমকিন

পোটেমকিন ছিল রাশিয়ার জারের মিলিটারির জন্য তৈরি এক যুদ্ধজাহাজ। ১৯০৫ সালে এই যুদ্ধজাহাজে যে বিদ্রোহ হয়, তা ইতিহাসে ব্যাটলশিপ পোটেমকিন নামে পরিচিত হয়। প্রায় ৮০০ সংখ্যক ক্রু সহ ১৯০৩ সালে এই জাহাজ কৃষ্ণ সাগরে একটি নতুন যুদ্ধযাত্রায় পাঠানো হয়। জাহাজের ক্রু-এর মধ্যে অনেকেই বিপ্লবী ধ্যানধারণা পোষণ করতেন; তাঁরা এবং মাত্যুশেঙ্কো নামে এক নবীন অফিসার এই বিদ্রোহে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

শেয়ার করুন

জুনটিনথ ফিরে দেখাঃ এক দাস মেয়ের জীবন

জুনটিনথ-কে মনে রেখে হ্যারিয়েট জেকব-এর আত্মজীবনী Incidents in the Life of a Slave Girl বইটির প্রথম অধ্যায়ের বাংলা তজর্মা আমরা প্রকাশ করলাম। হ্যারিয়েট জেকব-এর জন্ম দাস পরিবারে। পরবর্তীতে মালিক পরিবারের কবল থেকে পালিয়ে নিজের ও নিজের সন্তানদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন হ্যারিয়েট। তাঁর আত্মজীবনীতে এক দিকে যেমন উঠে এসেছে দাস জীবনের বঞ্চনা ও নিপীড়নের কথা, পাশাপাশিই জায়গা পেয়েছে তাঁদের প্রতিরোধ ও দ্রোহের আখ্যানও। বইটি তিনি লেখেন লিন্ডা ব্রেন্ট ছদ্মনামে। বামা-র আগামী সংখ্যাগুলিতে ধারাবাহিকভাবে এই আত্মজীবনী আমরা প্রকাশ করব।

শেয়ার করুন

হেলেন কেলার স্মরণে – আমি কীভাবে সমাজবাদী হলাম

বেশ কয়েক মাস ধরে আমার নাম ও সমাজতন্ত্র শব্দ দুটি প্রায়শই একসঙ্গে খবরের কাগজে প্রকাশিত হচ্ছে। এক বন্ধু বলেছিল আমার নাম খবরের কাগজের প্রথম পৃষ্ঠায় বেসবল, মিঃ রুজভেল্ট এবং নিউইয়র্ক পুলিশ কেলেঙ্কারির সঙ্গে দেখা যেত। এই বিষয়গুলির সঙ্গ আমাকে তেমন সুখী করেনি। তবে সামগ্রিকভাবে আমি আনন্দিত যে অনেক লোক আমার এবং আমার শিক্ষক, মিসেস মেসি (অ্যান সুলিভান)-র সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়েছেন। এমনকি অপযশকেও কাজে লাগানো যায় এবং আমার ক্রিয়াকলাপ নথিবদ্ধ করার জন্য সংবাদপত্রগুলি যদি তাদের কলামগুলিতে প্রায়শই সমাজতন্ত্র শব্দটি ব্যবহার করতে বাধ্য হয়, তাহলে আমি আনন্দিত। ভবিষ্যতে আমি সমাজতন্ত্র সম্পর্কে লিখতে চাই। আমার মতামত প্রচার করতে চাই।

শেয়ার করুন

Not a Step Back

“মেয়েদের স্থান প্রাথমিক ভাবেই পরিবারে। দেশের প্রতি তাদের প্রধান কর্তব্যই হলো বাচ্চা জন্ম দিয়ে জাতের অমরত্ব টিকিয়ে রাখা”। গোয়েবেলসের এই বক্তব্যই নাৎসি আদর্শের মেয়েদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দেয়। হিটলার শাসনের অন্যতম স্লোগান ছিল ‘Kinder, Küche, Kirche’ অর্থাৎ ‘বাচ্চা, রান্নাঘর, গির্জা’। নারীত্বের এই সংজ্ঞাই স্পষ্ট করে দেয় ফ্যাসিবাদের নারীবিদ্বেষী চরিত্র। ফলে নাৎসিদের যেমন একদিকে …

Not a Step Back Read More »

শেয়ার করুন

এদ্রিয়ান রিচ -কে মনে রেখে

আমি জানি তুমি এই কবিতা পড়ছো
সেই ঘরে যেখানে তোমার সহ্যের বাঁধ ভেঙেছে বহুবার
বিছানায় ছড়ানো জামা কাপড়ের স্তূপ, খোলা সুটকেসটা
পালাবার কথা বললেও
তুমি এখনও ছেড়ে যেতে পারছো কই

শেয়ার করুন

লুসি পারসনস, হে মার্কেট শ্রমিক বিক্ষোভের অন্যতম কারিগর

আজীবন সমাজতন্ত্রী রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে কাজ করে যান লুসি। সারাজীবনে যুক্ত হয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক গ্রুপের সঙ্গে, নীতির প্রশ্নে থেকেছেন আপোসহীন। বিপ্লবের মাধ্যমে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার উচ্ছেদের লক্ষ্যে স্থির থেকে চালিয়ে গেছেন লড়াই। কৌশলগত কারণেই ধোঁয়াশা তৈরি করেছেন নিজের বর্ণগত পরিচয় ও অতীত নিয়ে।

শেয়ার করুন

দলিত প্যান্থার

যেহেতু সামন্ততান্ত্রিক হিন্দু শাসন উৎপাদন, আমলাতন্ত্র, আইনব্যবস্থা, সেনা বাহিনী, পুলিশ সমস্তটাই নিয়ন্ত্রণ করে কখনও জমিদারি, কখনো পুঁজিবাদী, কখনো বা ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে, তারাই এই শাসনযন্ত্রকে পুষ্ট করে। দলিতদের অস্পৃশ্য করে রাখা তাই এক রকমের মানসিক দাসত্বই। অস্পৃশ্যতা তাই সদা পরিবর্তিত ক্ষমতার কাঠামোর মধ্যেও বেঁচে থাকে পৃথিবীর সব চাইতে হিংসাত্বক শোষণপন্থা হয়ে।

শেয়ার করুন

জয় ভীম!

Previous Next আম্বেদকর জন্মেছিলেন সতীদাহ আর গৌরীদানের দেশে৷ অথচ দলিত হিসেবে তাঁর প্রান্তিক অবস্থান​ই​​​ হয়ত নারীর প্রান্তিকতার প্রতি সমমর্মী করেছিল। ভারতের নারী আন্দোলনে তিনি ত্রাতার ভূমিকায় নয়, অবতী​​র্ণ হন কর্মীর ভূমিকায়। ডঃ আম্বেদকর নারী আন্দোলনে প্রথম বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ​​গ্রহ​ণ​ করেন ১৯২৮ সালের ২২শে অক্টোবর মহারাষ্ট্রে ‘নারী মর্যাদা সুরক্ষা’ আন্দো​লনে​ অংশগ্রহণ করার মধ্যে​ দিয়ে​। তাঁর ডাকে …

জয় ভীম! Read More »

শেয়ার করুন