ছোটদের জন্য

গেরুয়া শাল পরে আসা ছেলেমেয়েদের লিখছি

মীনা কন্দস্বামী গেরুয়া স্কার্ফ জড়ানো প্রিয় ছেলে-মেয়েরা, নমস্কার! আমি তোমাদের এই চিঠি লিখছি যদিও তোমাদের সাথে আমার কখনও দেখা হয়নি। যখন আমি প্রথম তোমাদের ভিডিওগুলো দেখি, সত্যি বলতে খুব ভয়ই পেয়েছিলাম। বিশ্বাস করতে পারছিলাম না ভারতে এসব ঘটছে, আমাদের সকলে যে দেশ সেই ভারতে। তোমাদের মধ্যে কাউকে বিপজ্জনক ভেবে ভয়টা পাইনি, আমার চোখে তোমারা এখনও …

গেরুয়া শাল পরে আসা ছেলেমেয়েদের লিখছি Read More »

শেয়ার করুন

ছোটোদের থিয়েটার

১৯৯৮ সাল নাগাদ, কিছু মানুষ, যারা নিজেরাই সেই সময় ছোটোদের নিয়ে নাটকের কাজ করছিলেন মূলতঃ দক্ষিণ বঙ্গের মফস্বলে এবং শহরে, তারা ঠিক করলেন বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে যদি নানা জায়গায় ছোটোদের এক সঙ্গে করে একটা আবাসিক নাট্য কর্মশালার আয়োজন করা যায় তাহলে ছোটোদের সাথে সাথে যারা কাজ করান তাদের মধ্যেও একটা ভাবনা আর কর্ম পদ্ধতির দেওয়া নেওয়া হতে পারবে। ‘শিশুনাট্য’ বলতে আমার যা দেখা বেশীরভাগটাই এই কর্মশালায়, কাজ করতে করতে জানা। এই কর্মশালায় পোশাকি নাম ‘শিশু কিশোর বিকাশ মেলা’, ডাক নাম ক্যাম্প। 

শেয়ার করুন

‘অঙ্ক কী কঠিন!’

এই যে অঙ্ক এর মূলগত কাঠামোতে হয়তো বিভেদ বা বৈষম্য খুঁজে পাবে না তেমন ভাবে। কিন্তু অনেক সময় তার উপস্থাপনায় অনেক গলতি কিন্তু রয়ে যায়, যার দায় একান্তই সমাজের ব্যক্তি মানুষের, যে বা যারা সামাজিক কাঠামোর মোড়কে অঙ্কের সমস্যা বা গল্পগুলোকে সাজান। যেমন, ধরো একটু খেয়াল করলেই দেখবে অঙ্কের বইয়ে মহিলা শ্রমিকরা পুরুষদের চেয়ে কম কাজ করেন, কিংবা ‘বুল্টি’রা ‘বিল্টু’দের চেয়ে কম চকোলেট পায়, এমনকি অংশীদারী অঙ্কেও বাবার সম্পত্তি ছেলে ও মেয়ে সমান ভাগে পায় না। দেখো এগুলো কিন্তু অঙ্কের সমস্যা নয়, এগুলো সমাজের আরোপিত চিত্র যেগুলো অঙ্কের মত একটা বিষয়কে দূষিত করে। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে এই ভাষাকে বদলাতে হবে নিজেদের তাগিদেই। শুধু ভাষাগত সমস্যাই নয়, অঙ্ক সংক্রান্ত যে যাবতীয় ‘মিথ’ আমরা শুনে থাকি সেই সবকটিকেই দাঁড় করাতে হবে চ্যালেঞ্জের মুখে। এই যে একটু আগেই বললাম বিভেদের গল্প, সেখান থেকেই জন্ম নিয়েছে বেশ কিছু মিথ। যেমন, ‘মেয়েরা অঙ্ক পারে না’, ‘বুদ্ধিমান ছাড়া অঙ্ক হয় না’ ইত্যাদি।

শেয়ার করুন

মায়ার গল্প

টি১২। এটাই ভাল নাম মায়ার। মায়া অবশ্যই সকলের দেওয়া ডাকনাম। বলা ভাল, বনবিভাগই মায়া নামটা রেখেছিল ওর। পর্যটকরাও ওই নামেই চেনে ওকে। মায়াকে প্রথম যখন আমি দেখেছিলাম, তখন ২০১৫ সাল। জঙ্গলের বুক চিরে রানির মতো হেঁটে গিয়েছিল মায়া। একপাশে সার দিয়ে দাঁড়িয়েছিল টুরিস্ট জিপগুলো। সকলে মায়াকে দেখছিল একদৃষ্টে। মায়া কিন্তু মোটেও পাত্তা দিচ্ছিল না কাউকে। গাছের গন্ধ শুঁকে, চারপাশ দেখে মায়া একটু জরিপ করে নিচ্ছিল, ওর এলাকা ঠিক আছে কিনা।

শেয়ার করুন

দেশ

দেশ কি পাল্টে যাচ্ছে?
রুকুর বয়েস দশ। সে এতোসব জটিল প্রশ্নের উত্তর জানে না। তবু সে বুঝতে পারছে চারদিকে কিছু বাজে ঘটনা নিশ্চয় ঘটছে। এইতো সেদিন আব্বা কাজ থেকে ফিরে টিনের বাক্সটা খুলল। এই বাক্সের ভেতর কতো পুরনো কাগজপত্র থাকে। আব্বা ধুলো ঝেড়ে কাগজগুলো দেখছিল। দেখতে দেখতে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ল একসময়। মা তখন রান্নাঘরে। রাতের খাবার বানাচ্ছিল। আব্বা মাকে ডেকে বলল, কাগজগুলোয় তো গন্ডগোল রয়েছে। মা রান্নাঘর থেকে ফিরে এসেছে। হাতে খুন্তি। মুখে ঘাম। জিজ্ঞেস করল, কেন? আব্বা বলল, দলিলে আমার আব্বার নামের আগে শেখ রয়েছে। কিন্তু আমার ভোটার কার্ডে আব্বার নামের আগে শেখ নেই। এ তো মহা ঝামেলা।

শেয়ার করুন

পিংকি গেল ইশকুলে

ঘন্টা আর মিমি দুজনেই রোজ ইশকুলে যেত। সকাল আটটা বাজলেই তারা ভাইবোন হাত ধরাধরি করে বগলে বই-খাতা নিয়ে, পা টেনে টেনে, হাই তুলে তুলে, ইশকুলের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ত। পিংকি সেই সময়ে হয় তার পোষা গরুটাকে জাবনা খেতে দিত, কিংবা ওর পোষা বাঁদর শ্রীমান নরেন্দ্রকে রংবেরঙের পোষাক পরিয়ে সাজাতে ব্যস্ত থাকত। কখনো বা ও সকাল সকাল খুউব মন দিয়ে  ব্যায়াম করত। কেমন ব্যায়াম করত? সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে একটানা বিয়াল্লিশ বার ডিগবাজি খেত। তারপর ও শুনশান রান্নাঘরে পিঁড়ি পেতে বসে একবাটি চা আর নাড়ু-মুড়কি খেত।

শেয়ার করুন

রুকু আর ওর ফ্রেন্ড সত্যজিৎ

“সত্যজিৎ রায় মেয়েদের জন্য গল্প লেখে না, সিনেমা বানায় না।” ডাম্বল এই কথাটা চোখ বুজে বলার পর ভাবছিল ক্যাডবেরি চাটতে চাটতে বেরিয়ে যাবে। তবে চোখ খোলার আগেই রুকুর হাতে চটাস করে একটা থাপ্পড় খেয়ে তারস্বরে কান্না জুড়ে দিল। এতে রুকুর এক ঢিলে অনেকগুলো পাখি মারা হল – একে ডাম্বল ভীষণ ঘ্যানঘ্যানে, তাও ওর মা সপ্তাহে তিনদিন ওকে টিফিনে ক্যাডবেরি দেয় আর ডাম্বল শেয়ার করে না বলে রুকুর বিরক্তিকর লাগে। ডাম্বলকে সে মাঝে মাঝেই পেটায়। এই দফায় আরেকবার পেটানো গেল, ক্যাডবেরিটাও গেল ছিটকে আর দুই মিলিয়ে কাঁদানো গেল – এতে রুকুর বেশ তৃপ্তি হল। এইবার প্রিন্সিপাল ওকে ডাকবে, ডাম্বলের মা এসে ফোঁস ফোঁস ঘোঁত ঘোঁত করবে, পেরেন্ট কল হবে – এইগুলি অতঃপর খুব একটা ঝামেলার না।

শেয়ার করুন

আয়নাদেশের কিস্‌সা

ওকে দেখে বয়স বোঝা যায় না। একদল যদি বলে সে মোটে একটা বাচ্চা, তো অমনি আরেকদল সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠবে, মোটেই না, অমন কুঁচকোনো চামড়া, তোবড়ানো গাল আর জিরজিরে হাড় কি বাচ্চাদের হয় নাকি? উত্তর আসবে, তাহলে অমন ছোট্টখাট্টো চেহারা হয় কী করে? কী করে আবার, বয়েস হতে থাকলে মানুষ আবার ছোট হয়ে যায়, কুঁচকে কিসমিস হয়ে যায়, জানা নেই নাকি? ব্যাস, শুরু হয়ে যাবে ঝগড়া! সত্যি, এত বোকা-বোকা জিনিস নিয়ে যে-লোকে ঝগড়া করে, কী বলব!

শেয়ার করুন

কমলার পোষা আমড়া আর একটা সহজ তেঁতুলের আচারের রেসিপি

আমাদের ছোটবেলায়, মানে অনেক অনেক আগে, ইস্কুলের সামনে এসব পাওয়া যেত। আমার এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো লাগত কালো আমসত্ত্ব, বিট নুন মাখিয়ে। মা বলত ওগুলো পচা আম দিয়ে বানায় তাই খেতে নেই। মিছে কথা! যাতে বাইরের খাবার না খাই তাই সব বানিয়ে বানিয়ে বলত, আমি নিশ্চিত। তা সেরকম সময়ের একটা গল্প বলছি তোমাদের, পোষা খাবারের গল্প। আসলে গল্প না, সত্যি। আমার বন্ধু কমলার কথা।

শেয়ার করুন

গল্প বলেন সুখলতা

সুকুমারের দিদি, ভাল নাম সুখলতা। রবীন্দ্রনাথের রাজর্ষি উপন্যাস বেরিয়েছিল যে বছর, তার পর পরই সুখলতা-সুকুমারের জন্ম, রাজর্ষি উপন্যাসের দুই শিশু হাসি-তাতার নাম অনুসরণেই সুকুমারের নাম হয় তাতা, সুখলতার নাম হাসি। কিন্তু, সুকুমার রায়ের দিদি, এটুকুই কি তাঁর পরিচয়? না। বাংলায় রূপকথা লেখা, নাটক লেখা, কমিক্স আঁকা, ছোটদের লেখাপড়া শেখার নতুন পদ্ধতি খোঁজা, ওড়িয়া সাহিত্যের অনুবাদ, অনেক কিছু করেছেন সুখলতা। তাঁর পরিচয় তাঁর নিজের কাজেই।

শেয়ার করুন

রান্নার খাতা

আমাদের ইস্কুল একটু একটু করে খুলছে। কিন্তু গত প্রায় দু’বছর ধরে আমরা ঘরবন্দী। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, খেলতে যাওয়া, দুষ্টুমি করা কিছুই প্রায় হয়ে উঠছিল না। তা এই বন্ধুর কথা মনে রেখেই চূর্নী এই বইটি বানিয়েছিল। যখন দেখা হবে তখন সবাই একসাথে মিলে রান্না করবে, খাবে। দেখা হবার আগে অবধি বন্ধু নিজে একটু হাত পাকিয়ে নিক সেটাই ভেবেছে হবে। সেই বই আগামী কয়েক সংখ্যায় আমরা আমাদের ছোট পাঠকদের জন্য ছাপব। এবার রইল প্রথম কিস্তি।  

শেয়ার করুন

অদ-ভূতুড়ে

মানুষকে বিশ্বাস না করার হাজারো কারণ থাকতেই পারে, কিন্তু অলৌকিক আর ভূতে যারা বিশ্বাস করেন না, তাঁরা নিতান্তই হর্দম, মানে হাঁদা। চাঁদ থই থই নিঝুম রাতে বাড়ির সবাই যখন ঘুমে বেহুঁশ, তখন ঘরে উত্তরের জানলাটা আমি খুলি না কেন? কারণ বাইরে কয়েকশো গজ দূরে রমাপিসিদের খোলা ছাদের ধারে পা ঝুলিয়ে কারা যেন বসে থাকে। লাল লাল চোখ। ফ্যাকফ্যাকে চেহারা। ড্যাবড্যাব করে ওরা তাকায় আমার ঘরের দিকে। খাটের থেকে পা নামাতেই কে যেন সড়াৎ করে পিছলে সরে যায় ভিতরের দিকে। একদিন সাহস করে কাঁপা কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করেছিলুম “কে? কে আছ নীচে?” খোনা গলায় পষ্ট উত্তর শুনেছিলুম “না, না কেউ না..”

শেয়ার করুন

ছুটি-রুটির গল্প (শেষ পর্ব)

চসুর যত কম কথা বলার অভ্যেস, তার হলদে চোখ শাকরেদের তত বেশি। হলদে চোখের চোখ দুটো গাছের ডালে একবার পিটপিট করল। তারপরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে বলে উঠল, “ও হো হো, আজ তো পূর্ণিমা! আজ তো হুজুর বেরোবেন না। দেখেছিস তো, আমারই কি ভুল! বয়স কী আর কম হল, খালি ভুলে যাই সব। ভাগ্যিস বললি, নইলে হুজুরের কাঁচা ঘুমটা ভাঙাতে গেলে উনি আমার মুণ্ডুটা নির্ঘাত চিবিয়ে ছাড়তেন।” খানিকক্ষণ থেমে হলদে চোখ খানিক করুণ স্বরে জিজ্ঞেস করল, “তাইলে? কী করবি? এত ভালো শিকারখানা ফসকে যেতে দিতেও কেমন একটা লাগে কিনা।”

শেয়ার করুন

খরগোশ, ইঁদুর আর ব্যাঙের ছাতার জাদুকর

তৎকালীন সমাজের মেয়েদের যেখানে কোনোরকম সামাজিক প্রতিষ্ঠা পাওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল, সেখানে বিট্রিক্স নিজেকে এক জ্বলজ্বলে অনুপ্রেরণায় পরিণত করতে পেরেছিলেন।

শেয়ার করুন

ছুটি-রুটি (পর্ব ৪)

এত কাছ থেকে গোলাপসুন্দরীর গায়ে কি বোঁটকা গন্ধ! কিন্তু কিছু বললে অভদ্রতা হয় কিনা কে জানে, তাই ছুটি নাক চেপে কিছু বলল না।
“চল চল চল” রুটি এবার তাড়া দিয়ে বলল …

শেয়ার করুন

আমার চোখে প্রীতিলতা

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বাংলার প্রথম মহিলা স্বাধীনতা সংগ্রামী, যিনি দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন। মানুষকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন ‘মেয়েরাও নিজের দেশের জন্য লড়তে ও মরতে পারে, যেমন পারে পুরুষজাতি’।

শেয়ার করুন
Old man and a tree

ছুটি-রুটি (তৃতীয় পর্ব)

সহজিয়া অমল ঠাকুরদা”ওরে থাম থাম” বলতে বলতে ছুটি রুটির পিছনে ছুটল! কিন্তু কে কার কথা শোনে! এক্কেবারে গোলাপবাগানে পৌঁছে এক লাফে পাঁচিল টপকে তবে থামল রুটি। শাশ্বত গাঙ্গুলীর কলমে ছুটি-রুটি ধারাবাহিকের তৃতীয় কিস্তি।

শেয়ার করুন

রাজিয়া সুলতানকে নিয়ে একটি বিতর্ক

রাজিয়া সুলতানকে নিয়ে পড়েছি আগের বছরই, দিল্লি সালতানাত পড়ার সময়ে। শামসুদ্দিন ইলতুৎমিসের ব্যাপারে পড়েছি, মেয়েকে রাজত্ব দিয়েছিলেন শুনে খুশি হয়েছি খুবই। এই রাজত্ব দেওয়া ইত্যাদি ঠিক হয়েছিল কিনা, ভাবিনি অতশত। তবে এটাও ঠিক, বেশ কদিন মুগ্ধ ছিলাম রাজিয়ার বীরত্বের কথা পড়ে। ‘রাজিয়া সুলতানা’ সে রাখেনি নিজের নাম। কারণ ‘সুলতানা’ শব্দটির অর্থ সুলতানের স্ত্রী। সে নিজেকে ‘সুলতান’ বলত। স্কুল থেকে না বললেও বাড়িতে আমি চার্ট বানিয়েছি রাজিয়াকে নিয়ে।

শেয়ার করুন

ছুটি-রুটি (দ্বিতীয় পর্ব)

“আচ্ছা তুই কাঠপরী দেখেছিস?” দিঘির ধারে একটা ডালে বসে কুলের আচার খেতে খেতে ছুটি রুটিকে জিজ্ঞেস করল। সকালের টিফিন বাঁচিয়ে ছুটি আজ দু খানা লুচি, বেগুনভাজা, মিষ্টি আর কুলের আচার নিয়ে নিয়ে এসেছে ওদের চড়ুইভাতির জন্যে। রুটির অবশ্য কুলের আচার খেয়ে একদম পছন্দ হয়নি। খানিক দূরে ডালের উপর বসে বসে সে নাক সিঁটকে ছুটির আঙুল চেটে চেটে কুলের আচার খাওয়া দেখছিল আর লেজ ফোলাচ্ছিল।

শেয়ার করুন

অন্ধ বিচার নয়

সিংহাসনে বসল রাণী, বাজল কাঁসর ঘন্টা
ছটফটিয়ে উঠল কেন মন্ত্রীছুঁড়ির মনটা?
রাণী বলেন, মন্ত্রীসোনা, জামায় কিসের গন্ধ?
মন্ত্রী বলেন, এসেন্স দিছি, গন্ধ তো নয় মন্দ!
রাণী বলেন, মন্দ? ও মা – তাই কি আমি বললাম?
একটু কাছে এলে বরং ভালো করেই শুঁকতাম।

শেয়ার করুন

ছুটি-রুটি

বেজায় গরম। দুপুরবেলা বসে বসে ফ্যানের হাওয়া খাওয়া আর কুলপিকাকুর থেকে বড় বড় কুলপি কেনা ছাড়া বিশেষ ভালো কিচ্ছু হচ্ছে না দিনে। তার উপর গরমের ছুটি। বন্ধুদের সঙ্গেও সেই কত্তদিন দেখা হয়নি। দুপুরবেলা বসে বসে টিনটিন পড়তে পড়তে এইসবই ভাবছিল ছুটি। বাবা মাও ওদিকে ভোঁসভোঁস করে ঘরে শুয়ে ঘুম দিচ্ছে। বাবার নাক ডাকছে ঘ্রোঁৎ ফুউউউউ, আর তালে তালে মায়ের নাকও সাড়া দিচ্ছে সুড়ুৎ সুঁউউউউ।

শেয়ার করুন