কবিতা

একটি গান এবং…

বৃক্ষ হইতে ঝিলিমিলি নামিয়া আসে, আচ্ছন্ন নামিয়া আসে। আশ্চর্য সংজ্ঞা বানাইব বলিয়া আমি অথবা সে অথবা তাহারা জীবনের ধর মুণ্ডু এক করি নাই। বরং সুপ্তির ভেতর নাচিয়া গাহিয়া বাতাস গায়ে জড়াইয়া বৃক্ষকে অক্ষর করিয়াছি । আদি অন্ত বিহীন একটি কালখণ্ড মাত্র করিয়াছি। বিষাদে টলমল টলমল সেই কালখণ্ডে একটি উচ্চারণ অপমানিত শব্দের গান হইয়া ভাসিয়া থাকে

শেয়ার করুন

এ এক নতুন গণতন্ত্রের যুদ্ধ

স্বাধীনতা- 

মুক্তি- 

ফিরে পাওয়ার-

সব হারা নিপীড়িত লাঞ্ছিত মানুষের

এক নতুন গণতন্ত্রের যুদ্ধ !

শেয়ার করুন

চতুর্থ তোরণ

সহজের কাছাকাছি কিছু হৃদয় ঘুমোয়,

তারা জানে প্রতিটি দূরত্বে সূর্য আঁকা থাকে, 

আর সময় ফিরে যায়, সময় এগিয়ে আসে,

শেয়ার করুন

মেয়েজন্মের কিছুমিছু

পালিয়ে যাই
যখন যেমন
কখনো পাঁচিল ডিঙিয়ে
কখনো দরজা পেরিয়ে
কখনো সোজা বারান্দা থেকে ভেসে প’ড়ে

শেয়ার করুন

মুক্তি

মাথায় একটা ওড়না চাপা দিয়ে
ক্রমাগত বিড়বিড় করে চলেছে
ডোন্ট শুট, ডোন্ট শুট‌ ডোন্ট শুট
লাফিয়ে উঠে বলছেনা “মার
মেরে ফেল হারামখোর”!

শেয়ার করুন

জবু ও থবুর পৃথক বাতায়নে

জবু তার বাতায়নে আলগা খুলেছে পাল্লা,
রেকাবিতে শিউলি ঘুমিয়ে আছে, সেই মঁ-মঁ, সেই সকাল,
বহুদিন জবু এইভাবে সকালের পাল্লা খুলে দেয়।

শেয়ার করুন

অসময় কুসময় দু:সময়ের পদ্য

অক্ষরে অক্ষরে কিছু অভিজ্ঞতা আঁকা যায়
বাকি অনুভূতি এদিক ওদিক পালায়
ভরদুপুরে পুলিশের সাইরেন, রাগী বাঁশির সুরে
চাপা পড়ে আমাদের অঘটিত সংলাপ।

শেয়ার করুন

রাত শেষে

সেই মেয়ে একদিন
চুপি চুপি রাতে
তোমার গোপন বাসনার
ঘরে করে চুরি
তুমি ভাবো এই বার তবে
সঙ্গম, রতিক্রীড়া শেষে
হবে সে তোমার রমণী।

শেয়ার করুন

জেলের অন্ধকারে

শব্দ গুলো মাঝে মাঝে-

বুদবুদের মতো ভেসে ওঠে,

বায়বীয় অবয়ব মিলিয়ে যেতে থাকে,

বয়ে যাওয়া বাতাসে।

সময়-জেলের অন্ধকারে

পাথরের মতো ভারি হতে থাকে।

শেয়ার করুন

বামা-বোধিনী

গাছদের পাড়ায় আমার একটা বাড়ি এখনও আছে

তুমি এসব বোঝো না –

তুমি আঁচল সাজিয়ে শাড়ি দেখে অভ্যস্ত

-আমি জেনে গেছি, স্বাধীনতা মানে অশর্ত-আনাগোনা।

শেয়ার করুন

রতির বেড়াতে গেলে তত ভালো লাগে না রমণ

রতির ওয়াক ওঠে, ডিনারের পর

জাকুযির কম্পনে সুইমিং পুলের ভিতর

অন্য খেলা চলে

কাতরাতে কাতরাতে আর্ত ফেরে ঘরে

সব আর্তি বয়ে যায়

তেতো কান্না ধাক্কা খেয়ে ফেরে

শীতাতপ ঢাকা জানলায়

শেয়ার করুন