গল্প

উইচহাণ্ট

চান্দ্রেয়ী দে ১ বাঁশঝাড়ের আড়াল থেকে অল্প অল্প ধোঁয়া বের হয়ে আসছে। পথ ঘুরে ঘুরে বেঞ্জামিন সেদিকে এগোতে থাকে। ছায়ায় বসে আছে কারা যেন। হাতে ঝুলছে জ্বলন্ত বিড়ি, চোখ সামনের দিকে। নদীর দিকে, পাহাড়ের দিকে, রোদে জলে সাঁতারু বাচ্চাদের দিকে। পিছন থেকে এক পা এক পা করে এগিয়ে আসে বেঞ্জামিন। কাঁহা সে আয়ে হো আপ? …

উইচহাণ্ট Read More »

শেয়ার করুন

সরণ

অর্ধেক ডিম খেতে খেতে সে মায়ের চিৎকার শোনে, কি নোংরা নোংরা কথা বলে মা! তাদের বাংলা স্যার বলেন, সুন্দর করে কথা বলাটা একটা শিল্প। প্রতিটা শব্দ ধীরে ধীরে উচ্চারণ করবে। ফ্যাক করে হাসি পায় আভার। স্যারের বাড়িতে সবাই সুন্দর করে কথা বলে! জলপাইগুড়ি থেকে আসেন স্যার। কবিতা লেখেন পত্রিকায়, নিজেই বলেছেন। যদি উনি জানতেন আভাদের বাড়িতে সবাই কেমন করে কথা কয়! মা কথায় কথায় শতেকখোয়ারি, জন্মের পাপ, বথুয়া বলে নিভাকে, তাকেও; মাকে একটুও সুন্দর লাগে না তার। বাবার অফিসের সাহেবের ছেলের বিয়েতে যখন তাদের বাড়ির সবাইকে নেমন্তন্ন করেছিল, জ্বর আসছে বলে যায়নি আভা। আসলে সে ওদের সাথে যেতে চায়নি। মা আর নিভা লাল লিপস্টিক মেখে, রজনীগন্ধা সেন্টের গন্ধ ছড়াতে ছড়াতে গেছিল। ওরা চলে যাওয়ার পর কুয়ার পাড়ে বসে গলায় আঙ্গুল ঢুকিয়ে বমি করে ছিল সে।

শেয়ার করুন