নারীবাদ

কিছু কথা

বিয়ের পর আমার ভালোমানুষ শ্বশুরমশাই বলেছিলেন নিজের পদবী আর সার্টিফিকেট-টিকেট শ্বশুরবাড়ির হিসেবে করবার জন্য উনিই ব্যবস্থা করবেন। আমার ননদের বিয়ের পরও উনিই মেয়ের কাগজপত্র স্বামীর নাম-ঠিকানায় করে দিয়েছেন। আমি খুব নিরীহ মুখে জানিয়েছিলাম যে তার দরকার নেই। আমার পদবী-ঠিকানা-গার্জিয়ানশিপ সব মায়ের নামে আছে। ওটাতেই আমি স্বচ্ছন্দ।

শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক নারী দিবস: এক জঙ্গি উদযাপন

আলেকজান্দ্রা কলোনতাই-এর ১৯২০ সালে লেখা প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক নারী দিবস-এর বাংলা অনুবাদ

শেয়ার করুন

আর কী বা দিতে পারি?

এই যে তুমি দ্রুত ছুটছ, দিশার বয়সের দিকে, সফুরার বয়সের দিকে, অথচ আমি তোমার বাসযোগ্য করে যেতে পারছি না পৃথিবীকে, গ্লানি হয় তার জন্য৷ আগলাতে পারলে বেশ হত। অন্যথায় বর্ম-টুকু দিয়ে যাই। বড় হয়ে যদি একই স্বৈরাচার, একই অসাম্য দেখো, তাহলে জেনো, মা-মাসিরা লুকিয়ে পড়েনি, পিছু হটেনি। হয়ত পারেনি, কিন্তু চেষ্টা তারা করেছিল। প্রতিরোধ এক যাত্রা। সে যাত্রার শরিক হোয়ো তুমিও। মিছিল-শেষে মিছিলের জনতার মুখের আলো দেখেছ? প্রতিরোধ এক উৎসবও। তাতে সামিল হোয়ো।

প্রতিরোধই একমাত্র বর্ম। তা ছাড়া আর কী বা দিতে পারি?

শেয়ার করুন

বামা-বোধিনী

গাছদের পাড়ায় আমার একটা বাড়ি এখনও আছে

তুমি এসব বোঝো না –

তুমি আঁচল সাজিয়ে শাড়ি দেখে অভ্যস্ত

-আমি জেনে গেছি, স্বাধীনতা মানে অশর্ত-আনাগোনা।

শেয়ার করুন