‘মেয়েদের কবিতা’ বনাম ‘কবিতা’

এখনও গল্প-উপন্যাসে সে বাজারজাত কারণে হোক বা সংস্কারজনিত কারণ; অনেক পুরুষই যেমন মেয়েদের নিয়ে লিখতে গিয়ে লম্বা চুল, ভ্রমর কালো আঁখি, পদ্মপাতা মুখের বাইরে বেরিয়ে তার অনুভবের সূক্ষ্মতা, আবেগের বাড়াবাড়ি বা শীতলতা, তার বুদ্ধিদীপ্ত কথা, আলাপ-আলোচনাকে খুব একটা গুরুত্ব দিয়ে উঠতে পারেননি; তেমনি কোনও কোনও মহিলা-লেখকের লেখায় বৌদ্ধিক দিকটি একপ্রকার কুয়াশাচ্ছন্ন বা অন্ধকারেই থাকে। তাঁদের কারও কারও লেখায়ও হাতেপায়ের চুড়ি-গহনার রিনরিন শব্দ-ঢেউ যে এখনও পাওয়া যায় না এমন নয়। মায় ‘কাদের কুলের বউ গো তুমি’র লাজবতী আভাও সেখানে পরিস্ফুট! তবে ছেলেদের লেখালিখিতে কি তাদের নতুন গলা-ভাঙার স্বর লেগে থাকে না? তাদের কারও কারও কবিতায়? অবশ্যই থাকে। তাহলে মেয়েদের ক্ষেত্রেই এত প্রকট কেন সেই অপবাদ?

শেয়ার করুন